—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আমেরিকা-ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের সম্ভাবনা বৃহস্পতিবার সকালে গতি এনেছিল বাজারে। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সতর্ক লগ্নিকারীরা হাতের শেয়ার বেশিক্ষণ ধরে রাখতে সাহস পাননি। বেলাশেষে তা দ্রুত বিক্রি করে মুনাফা তুলতে থাকেন। সব মিলিয়ে দিনভর সর্বোচ্চ ৭৮,৭৩০.৩২ থেকে সর্বনিম্ন ৭৭,৬৭৪.৯৩-এর মধ্যে ১০৫৫.৩৯ পয়েন্ট ওঠানামা করে সেনসেক্স। শেষে ১২২.৫৬ খুইয়ে থামে ৭৭,৯৮৮.৬৮ অঙ্কে। অস্থির ভাবে ঘুরেছে নিফ্টিও। থেমেছে ২৪,১৯৬.৭৫-এ। পতন ৩৪.৫৫।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ দিন বিশ্ব জুড়ে শেয়ার সূচক ছিল চাঙ্গা। ভূ-রাজনৈতিক আশঙ্কা কিছুটা কমে। আমেরিকা-ইরানের মধ্যে প্রথম সমঝোতা বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পরেও দ্বিতীয় বার আলোচনার সম্ভাবনা ঘিরে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা অশোধিত তেলের দামকে ব্যারেল পিছু ৯৫-৯৬ ডলারে নামায়। কিছুটা কমে মূল্যবৃদ্ধির হার চড়ার আশঙ্কাও। সূচকের ৮০০ পয়েন্টের মতো লাফের পরেও পতনে দিন শেষ করা লগ্নিকারীদের সতর্ক হয়ে পা ফেলারই ইঙ্গিত।
বিশেষজ্ঞ আশিস নন্দী এবং বিনয় আগরওয়াল বলেন, ‘‘এই ওঠানামার পিছনে বিশেষ কোনও কারণ নেই। ভূ-রাজনৈতিক কিছু ঘটনা স্বস্তি জোগাচ্ছে তো কিছু বাড়াচ্ছে অস্বস্তি। ফলে লগ্নিকারীরা ধন্দে। অনেকেই শেয়ার কিনে অল্প সময় পরে মুনাফা তুলে নিতে তা বেচে দিচ্ছেন। অর্থাৎ অল্প সময়ের জন্য পুঁজি ঢালছেন। ফলে এতটা উত্থান-পতন দেখা যাচ্ছে।’’ আশিসের আশা, দিন সাতেকের মধ্যে পরিষ্কার হতে পারে আমেরিকা-ইরানের সংঘাতে পুরোপুরি থামতে চলেছে কি না। বিনয়ের বার্তা, সাধারণ লগ্নিকারীদের অনিশ্চিত অস্থির বাজারে সাবধানে পা ফেলতে হবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে