Mid-Day Meal Annual Calendar Row

মিড ডে মিল কেন মাত্র ২৪৮ দিন! দেওয়া হোক অতিরিক্ত ছুটির দিনেও, বার্ষিক সূচি প্রকাশ নিয়ে বিতর্ক

স্কুলগুলির শিক্ষকদের বক্তব্য, বছরে ৬৫ দিন সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটি থাকে। এ ছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত গরম বা অনেক কিছুর জন্য অতিরিক্ত ছুটিও যুক্ত হয় এই ক্যালেন্ডার-এর বাইরে। তাই পড়ুয়াদের ২৪৮ মিড ডে মিল দেওয়ার কথা উল্লেখ করলেও বাস্তবে তা অনেক কম পায় পড়ুয়ারা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৫
Share:

প্রতীকী চিত্র।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলপড়ুয়াদের মিড ডে মিলের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করল রাজ্য সমগ্র শিক্ষা মিশন দফতর। ওই ক্যালেন্ডারে বছরে ২৪৮ দিন মিড ডে মিল দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হল।

Advertisement

স্কুলগুলির শিক্ষকদের বক্তব্য, বছরে ৬৫ দিন সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ছুটি থাকে। এ ছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত গরম বা অনেক কিছুর জন্য অতিরিক্ত ছুটিও যুক্ত হয় এই ক্যালেন্ডার-এর বাইরে। তাই পড়ুয়াদের ২৪৮ মিড ডে মিল দেওয়ার কথা উল্লেখ করলেও বাস্তবে তা অনেক কম পায় পড়ুয়ারা। তাই প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়াদের অতিরিক্ত ছুটির বা সাধারণ ছুটির দিনগুলিতে শুকনো খাবার মিড ডে মিল হিসেবে দেওয়ার দাবি স্কুল শিক্ষকদের।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, "এই ধরনের নির্দেশিকা হল ঘুরপথে স্কুলপড়ুয়াদের তাদের প্রাপ্য খাবার থেকে বঞ্চিত করা। সরকারের কাছে সমস্ত হিসেব থাকলেও মাত্র ২৪৮ দিনের তথ্য সামনে এনেছে। অবিলম্বে তা পরিবর্তন করা উচিত।"

Advertisement

আবার প্রধান শিক্ষকদের বক্তব্য, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের বার্ষিক সূচি অনুযায়ী সারা বছর ২৪৮ দিন স্কুলে ক্লাস হয়। এর মধ্যে বছরে রয়েছে ৫২ টি রবিবার। এছাড়াও পুজো, শীতকালীন ও গরমের ছুটি মিলিয়ে প্রায় ২০ দিনের বেশি ছুটি থাকে স্কুলগুলিতে। আর এখানেই প্রশ্ন, এক অংশের প্রধান শিক্ষকদের জন্য মিড ডে মিলের যে টাকা বরাদ্দ হচ্ছে তা কি সবটা খরচ হয়!

রাজ্যের প্রধান শিক্ষক সংগঠনের রাজ্যসম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, "গ্রামের স্কুলের পড়ুয়ারা এই মিড ডে মিলের দিকেই তাকিয়ে থাকে। তাই তাদের সারা বছর ডাল ভাত পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করা উচিত। এই দাবি সরকারের কাছে আমরা বারবার করেছি।"

আবার বেশ কিছু শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি পুজো খেলা মেলার জন্য ক্লাবগুলি অনুদান বাড়ায় বছর পর সরকার। তার জন্য কি বাজেট থাকে। অথচ শিশুদের মুখে খাবার তুলে দিতে গেলেই কেন্দ্ররাজ্য যৌথ প্রকল্পের কথা বলে রাজ্য সরকার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement