Assembly election 2026

নির্বাচনী কাজের প্রশিক্ষণে যোগ দিচ্ছেন তো শিক্ষকেরা! নজর রাখতে স্কুলের প্রধানদের চিঠি

শিক্ষকদের একাংশের দাবি, প্রতি নির্বাচনের সময়েই শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা যুক্ত থাকেন। কিন্তু এ বছর যে ভাবে কার্যত স্কুল ফাঁকা করে দিয়ে নির্বাচন কমিশন তাঁদের ষুক্ত করতে চাইছেন, তা নজিবিহীন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১৫
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

গত সপ্তাহেই স্কুলের সব শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কার্যত সব কর্মীদেরই নির্বাচনের কাজে যেতে হতে পারে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন শিক্ষকেরা। এ বার বিভিন্ন জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা স্কুলের প্রধানশিক্ষকদের জানিয়ে দিলেন, সব শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা যেন নির্বাচনী কাজের প্রশিক্ষণে যোগ দেন।

Advertisement

শিক্ষকদের একাংশের দাবি, প্রতি নির্বাচনের সময়েই শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা যুক্ত থাকেন। কিন্তু এ বছর যে ভাবে কার্যত স্কুল ফাঁকা করে দিয়ে নির্বাচন কমিশন তাঁদের ষুক্ত করতে চাইছেন, তা নজিবিহীন।

উত্তরবঙ্গের এক জেলা স্কুল পরিদর্শক বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করানো সকলের দায়িত্ব। সে কারণে সব স্কুলের প্রধানদের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যাঁদের নাম আপাতত তালিকায় রয়েছে এবং যাঁরা প্রশিক্ষের জন্য ডাক পেয়েছেন তাঁরা যেন সকলেই প্রশিক্ষণ নিতে যান।” বিষয়টিকে নাগরিক কর্তব্য হিসেবে দেখার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

বিটি রোড হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষিকা সঙ্ঘমিত্রা ভট্টাচার্য জানান, তাঁর স্কুলে বর্তমানে বিভিন্ন ক্লাসের সামেটিভ পরীক্ষা চলছে। তাঁদের প্রায় ৪৬ জন শিক্ষক, কিন্তু এখন রয়েছেন হাতেগোনা কয়েকজন। বাকিরা সকলেই নির্বাচন কমিশনের আওতায় চলে গিয়েছেন। সঙ্ঘমিত্রা বলেন, “কোনও বছর এমন হয় না। কয়েকজন শিক্ষককে ভোটের জন্য ডাকা হয়। কিন্তু এ বার অধিকাংশ শিক্ষকই চলে যাচ্ছেন। এ ভাবে স্কুল চালানো সম্ভব হচ্ছে না।”

বিএলও এবং ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘এ ভাবে কাজ করা যাচ্ছে না। স্কুলের পড়ুয়াদের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ। কিন্তু সেই জায়গা থেকে আমার পুরোপুরি সরে আসতে বাধ্য হচ্ছি।’’ অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থতার কারণ দেখানোর পরেও অনেক শিক্ষককে প্রশিক্ষণে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। এক দিকে পরীক্ষা, অন্যদিকে নির্বাচন। কাজের চাপে স্কুলের পঠনপাঠনের সঙ্গেই আপস করতে হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের, অভিযোগ এমনই।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement