MID DAY MEAL investigation 2026

মিড ডে মিলের বরাদ্দ অর্থ খরচ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়! মাত্র চারটি জেলার রিপোর্ট দফতরের হাতে

সোমবার দফতরের এক কর্তা জানান, মাত্র চারটি জেলা থেকে জেলাশাসকেরা রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। সেখানে তাঁরা এই টাকা গরমিলের অভিযোগ অস্বীকার করে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন। তবে সব জেলা থেকে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কোনও কিছু বলা সম্ভব নয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩০
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

প্রাথমিক স্কুলের মিড-ডে মিলের টাকা বার্ষিক ক্রীড়ায় খরচ করার অভিযোগ উঠেছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাত্র চারটি জেলা থেকে রিপোর্ট এসে পৌঁছল স্কুলশিক্ষা দফতরে।

Advertisement

সোমবার দফতরের এক কর্তা জানান, মাত্র চারটি জেলা থেকে জেলাশাসকেরা রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। সেখানে তাঁরা এই টাকা গরমিলের অভিযোগ অস্বীকার করে বিস্তারিত রিপোর্ট দিয়েছেন। তবে সব জেলা থেকে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত কোনও কিছু বলা সম্ভব নয়।

স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, গত জানুয়ারিতে রাজ্যের শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের তরফে চিঠি দিয়ে জানানো হয় বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ব্যবহার হয়েছে মিড-ডে মিলের টাকা। গত ডিসেম্বরে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ওই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট পাঠানোর কথা বলা হয়েছিল। এমনকি, কোনও জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসে থেকে মিড-ডে মিলের অর্থ স্পোর্টস কমিটিতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কি না, তা-ও জানতে চেয়েছিল কমিশন। কিন্তু গত তিন মাসে ওই তদন্তে কোনও অগ্রগতি হয়নি বলেই খবর।

Advertisement

ফলে গত ১৬ মার্চ ফের দফতরে চিঠি দিয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে কমিশন। তার ভিত্তিতেই ২৩ মার্চ রাজ্যের সব জেলাশাসক, শিলিগুড়ির মহকুমাশাসক, জিটিএ-র এগ্‌জ়িকিউটিভ ডিরেক্টর এবং কলকাতার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে দ্রুত তদন্ত করে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেয় স্কুল শিক্ষা দফতর।

দফতরের এক কর্তা জানান, ৬ এপ্রিল বেলা ১২ টা পর্যন্ত হুগলি, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং পূর্ব বর্ধমান থেকে জেলাশাসকেরা রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। তাঁরা সকলেই দাবি করেছেন, তাঁদের জেলায় এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি। ওই কর্তার দাবি, সব জেলা থেকে রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনে নিশ্চিত ভাবে কোনও কিছু বলা সম্ভব নয়। তবে তাঁরা কমিশনকে জানিয়ে দেবেন, জেলাশাসকেরা তদন্ত করে রিপোর্ট পাঠাতে শুরু করেছেন।

Advertisement

দফতরের একটি সূত্র অবশ্য দাবি করছে, এই মুহূর্তে জেলাপ্রশাসনের সাধারণ কর্মী থেকে আধিকারিক, সকলেই নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত। ফলে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। অভিযোগ, কমিশন এই তদন্তের কথা গত জানুয়ারিতে জানালেও দফতর নড়ে বসেনি। তিন মাস পর জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্তের নির্দেশ গিয়েছে। ফলে বিপাকে জেলাগুলি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement