গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম
রাতারাতি বদলে গেল স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর প্যানেল। নতুন প্যানেলে যোগ হল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বেশ কিছু প্রার্থীর অভিজ্ঞতার নম্বর। কেন প্রথমে নির্ভুল প্যানেল প্রকাশ করা গেল না—এই নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন আইনজীবীরা।
বুধবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ প্রকাশিত হয় এসএসসি-র একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত তালিকা। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল হতেই সেই তালিকা বদলে ফেলল এসএসসি। দেখা যায়, বুধবার রাত পর্যন্তও যাঁদের পুরনো প্যানেলে অভিজ্ঞতার নম্বর শূন্য ছিল, রাতারাতি তাঁদের সেই সংখ্যাই বেড়ে গেল! যুক্ত করা হল ৪ থেকে ৬ নম্বর। এই বিষয় সামনে আসার পরই প্রশ্ন তুলছেন আইনজীবী থেকে শিক্ষক সংগঠনের একাংশ।
অভিযোগ, তালিকায় অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে। অনেক প্রার্থীর ক্ষেত্রেই অভিজ্ঞতার নম্বর না পাওয়ার জন্য র্যাঙ্ক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। অনেকে আবার অপেক্ষার তালিকায় (ওয়েটিং লিস্ট) চলে গিয়েছেন। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘আমরা বার বার বলি এই সরকারের আমলে কোনও নিয়োগই বিতর্কহীন, স্বচ্ছভাবে হচ্ছে না! এগুলি তালগোল পাকিয়ে দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃত ভুল বলে আমরা মনে করি।’’
বুধবার এসএসসি-র তরফে প্রথমে প্যানেলে থাকা প্রার্থীদের ১০৭৩টি পাতার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। যাতে নাম ছিল ১২ হাজার ৪৪৫ জনের। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালেই সেই পাতা বেড়ে হয়ে যায় ১০৭৯। একই ভাবে অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদয়ের তালিকার পাতাও ১০৬০ থেকে বেড়ে ১০৬১ হয়ে যায়। এখানেও প্রশ্ন উঠছে। যদিও এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসএসসি-র এক কর্তা বলেন, ‘‘মোট প্রাপ্ত নম্বরের কোনও পরিবর্তন হয়নি। যা নম্বর আগে ছিল তাই রয়েছে। আদালতের নির্দেশে কিছু প্রার্থীর অভিজ্ঞতার নম্বর ওই প্যানেলে ভুলবশত বসানোই হয়নি। তাই সেগুলিই পুনরায় সম্পাদনা করে যুক্ত করা হয়েছে। তবে মেধা তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’