কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত।
দীর্ঘ ৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার সেনেটের বৈঠকে এমনই স্থির হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। আগামী ২৩ মার্চ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবার্ষিকী সভাগৃহে আয়োজিত হবে এই অনুষ্ঠান। প্রায় এক দশক পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত হতে চলেছে এই অনুষ্ঠানের।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, এ বার ১৮০৬ জন গবেষক পিএইচডি শংসাপত্র পাবেন। এক জন ডিএসসি এবং দু’জন ডিলিট পাবেন। দীক্ষান্ত ভাষণ দেবেন আইআইটি, খড়্গপুরের অধিকর্তা সুমন চক্রবর্তী।
দীর্ঘ ছ’বছর পরই এ বার সেনেটের বৈঠকও বসল বিশ্ববিদ্যালয়ে। এর আগে শেষবার হয়েছিল সেনেটের বৈঠক হয়েছিল ২০২০ সালে। সে বারই শেষ সমাবর্তন আয়োজিত হয়েছিল। ২০১৭ ও ২০২০-তে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নজরুল মঞ্চে। ২০২৪-এ সমাবর্তনও অনুষ্ঠান হয়নি। শুধু মাত্র পিএইচডি প্রদান করা হয়েছিল গবেষকদের।
এ বছর ফের শতবার্ষিকী হলে আয়োজিত হতে চলেছে সমাবর্তন অনুষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর এ বছর ডিএসসি বিজ্ঞানী বিজয় পাণ্ডুরঙ্গ ভক্তকরকে। তিনি বর্তমানে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। ডিলিট দেওয়া হবে কবি রণজিৎ দাস এবং শিক্ষাবিদ ফাদার থমাসকে। এ ছা়ড়াও, ভুবনমোহিনী দাসী পুরস্কার, জগত্তারিণী পুরস্কারের পাশাপাশি তুলে দেওয়া হবে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, স্যর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, সরোজিনী বসু, স্যর দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী প্রমুখের নামাঙ্কিত পুরস্কারও প্রদান করা হবে।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ জানান, এ দিন সেনেটের বৈঠকে যা আলোচনা হয়েছে তা শীঘ্রই লিখিত আকারে আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে পাঠানো হবে। কারা কারা পুরস্কার পাবেন, তার তালিকাও পাঠানো হবে রাজ্যপালের কাছে। তাঁর সম্মতি মিললেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। শুরু হবে সমাবর্তনের প্রস্তুতি।