প্রতীকী চিত্র।
বাঁকুড়া জেলা স্কুলের রোম কর্মকার বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়। বাবা অভয় কর্মকার বাঁকুড়া জেলা স্কুলের শিক্ষক। মা আলপনা কর্মকার গৃহবধূ। রাজনীতি নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে তার। আগামী দিনে শিক্ষার পরিকাঠামোর উন্নয়নের বিষয়ে আশাবাদী রোম।
করোনা-পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে পঠনপাঠন যে স্বাভাবিক ছন্দ ফিরেছে, তা মনে করছেন শিক্ষকদের একাংশ। এ বারের ফলাফলে সেই নজিরই দেখা যাচ্ছে বলে দাবি। নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার সাফল্য় যথেষ্ট ইতিবাচক বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।
চলতি বছরেও মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় জেলার জয়জয়কার। বিশেষ নজর কেড়েছে মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলা। দুই জেলা মিলিয়ে মোট ৬ কৃতী পডুয়া মেধাতালিকায় প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে।
মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে এ বার তিন জন কৃতী মেধা তালিকায় উজ্জ্বল।রঘুনাথগঞ্জের রানি ভবানী বিদ্যানিকেতনের ছাত্রী প্রজ্ঞা সাহা ৬৯০ নম্বর পেয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে। নবম স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ মডেল স্কুলের ছাত্রী সাইরিন সুলতানা, তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৯। অন্য দিকে, ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থানে যৌথ ভাবে জায়গা করে নিয়েছে লাধুরাাম তোষ্নিওয়াল স্কুলের ছাত্রী কস্তুরী সিংহ। জেলায় কৃতীদের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া মুর্শিদাবাদের শিক্ষামহলে।
পিছিয়ে নেই নদিয়া জেলাও। মেধাতালিকায় প্রথম দশের মধ্যে জেলার তিন কৃতী ছাত্রের নাম উঠে এসেছে। বাদকুল্লা ইউনাইটেড একাডেমির ছাত্র দ্বৈপায়ন বিশ্বাস পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে। সপ্তম স্থানে রয়েছে নবদ্বীপ বকুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র স্বর্ণাভ সর্দার, তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯১। এ ছাড়া, কৃষ্ণনগরের তামিম মণ্ডল দশম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে।
মাধ্যমিকে যুগ্ম ভাবে তৃতীয় হয়েছে মৈনাক মণ্ডল। বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুলের মেধাবী এই ছাত্র ৭০০-র মধ্যে ৬৯৫ নম্বর পেয়েছে।
নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে তৃতীয় হয়েছে, সৌর জানা ,পঞ্চম হয়েছে সমন্তক কুন্ডু।
মাধ্যমিকে প্রথম দশে পুরুলিয়া জেলা থেকে ৯ জন। তার মধ্যে পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ থেকে রয়েছে ৭ জন পরীক্ষার্থী। বাকি দু’জন পুরুলিয়ার শান্তময়ী বালিকা বিদ্যালয় ও চিত্তরঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়া।
৮ মে বিকেল থেকেই স্কুলে স্কুলে পাওয়া যাবে মার্কশিট।
কালিম্পং ৯৫.১০ পাশের হার
কলকাতা ৯১.০৪ পাশের হার
মূল মার্কশিটের সঙ্গে পাওয়া যাবে সব নম্বর। প্রশ্নপত্র কিউআর কোড ছিল নিরাপত্তার জন্য। মার্কশিটেও থাকবে, ঘোষণা পর্ষদ সভাপতির।
পরীক্ষা দিয়েছে ৯লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৫৩। নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৯,০১,৭২৪।