ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
বইয়ের পাতা থেকে ইন্টারনেটের ডিজিটাল দুনিয়ায় এসে ভিড় করছে নানা তথ্য। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের খবর বা পাড়ার মোড়ে ঘটে যাওয়ার ঘটনা জানা যাচ্ছে কয়েকটা ক্লিক-এই। রকমারি তথ্য স্রোতের মতো সহজেই যাতে মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে, সেই বিষয়টি সুনিশ্চিত করেন ডেটা ইঞ্জিনিয়ারেরা। বিশেষজ্ঞ হতে চাইলে কোন বিষয় নিয়ে পড়বেন, কী ভাবে শুরু করা যেতে পারে— তা নিয়ে রইল বিশদ তথ্য।
ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়টি কী?
প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণ করা এবং চাহিদা অনুযায়ী সেই তথ্যকে গন্তব্যে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কাজটি করা হয় ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাহায্যে। মূল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যকে ঘষামাজা করে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা, সেই তথ্যকে নির্দিষ্ট ভান্ডারে মজুত করা, পাইথন-এর মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে তথ্যকে আরও নির্ভরযোগ্য করে তোলার যাবতীয় খুঁটিনাটি শেখা যায় ওই বিষয়ে।
ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং-এর আরও একটি কাজ হল তথ্যকে যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়া। যে ভাবে জলের ধারা নির্দিষ্ট নলে বাহিত হয়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছায়, সে ভাবেই লক্ষাধিক তথ্যের প্রবাহপথ সুনিশ্চিত করা যাবে কী ভাবে— সেই বিষয়গুলি নিয়েও চর্চা চলে।
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
কী ভাবে শুরু করবেন?
চাকরির খোঁজখবর
ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনার পর ডেটা আর্কিটেক্ট, বিগ ডেটা ইঞ্জিনিয়ার, ক্লাউড ডেটা ইঞ্জিনিয়ার-সহ বিভিন্ন পদে চাকরির সুযোগ মিলতে পারে। সরকারি এবং বেসরকারি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় উল্লিখিত পদে নিযুক্তদের শুরুতে ৫ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতনক্রম হয়ে থাকে। পদোন্নতি হলে পারিশ্রমিক বছরে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।