বেহালায় প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ, ফুলবাগানে আত্মঘাতী বৃদ্ধ

বৃহস্পতি এবং শুক্রবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে দু’টি ভিন্ন জায়গায় দু’জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেহালার একটি বহুতলের নীচ থেকে এক প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন মাঝরাতে ঘটনাটি ঘটেছে বেহালার বি এন শাহ রোডের একটি বহুতল আবাসনের নীচে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০১৫ ১৭:১০
Share:

বৃহস্পতি এবং শুক্রবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে শহরে দু’টি ভিন্ন জায়গায় দু’জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার বেহালার একটি বহুতলের নীচ থেকে এক প্রৌঢ়ার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন মাঝরাতে ঘটনাটি ঘটেছে বেহালার বি এন শাহ রোডের একটি বহুতল আবাসনের নীচে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কুসুম অগ্রবাল (৬১)। ছ’মাস বিদেশে থাকার পর বৃহস্পতিবারই কুসুমদেবী আমেরিকা থেকে কলকাতায় ফিরেছিলেন। বেহালায় ছোট ছেলে যোগেশের ফ্ল্যাটে উঠেছিলেন তিনি। ওই রাতেই ফ্ল্যাটের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে যান বেহালা থানার পুলিশ ও লালবাজারের অফিসারেরা।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই বহুতল আবাসনের মোট ৬টি টাওয়ার রয়েছে। তিন নম্বর টাওয়ারের পাঁচ তলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ছোট ছেলে যোগেশ। পরিবহণ ব্যবসায়ী যোগেশ পুলিশকে জানিয়েছেন, কুসুমদেবী দীর্ঘ দিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শমতো হাওয়া বদলের জন্যই স্বামীর সঙ্গে কুসুমদেবী আমেরিকায় যান। সেখানে মাস ছয়েক কাটানোর পরে তিনি কলকাতায় ফিরেছিলেন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, ওই আবাসনের ১৪ তলার ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে কুসুমদেবী আত্মঘাতী হয়েছেন।

Advertisement

এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই শুক্রবার ভোরে ফুলবাগানে ঘর থেকে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শ্যামলাল দাস (৭০) ফুলবাগান থানা এলাকার ক্যানাল সার্কুলার রোডের বাসিন্দা। এ দিন ভোরে নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁকে। তবে দুটি ঘটনাতেই কোনও সুইসাইড নোট মেলেনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement