Side-effects of no carb diet

তিন মাস শর্করা বাদ দিয়ে বিপাকে শেফালী! কী কী বদল এসেছে অভিনেত্রীর শরীরে?

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী শেফালী শাহ বলেন, তিন মাসের বেশি তিনি নো কার্ব ডায়েট করতে পারেননি। তিন মাস শর্করা বাদ দিয়ে কী কী সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন অভিনেত্রী?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৯
Share:

টানা তিন মাস নো কার্ব ডায়েট করে কোন সমস্যায় পড়েছেন শেফালী? ছবি: সংগৃহীত।

বিগত কয়েক বছরে কিটো ডায়েট বা নো কার্ব ডায়েটের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। চটজলদি ওজন কমাতে এই ডায়েটের উপর ভরসা রাখেন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। দ্রুত মেদ ঝরাতে কার্যকরী হলেও এই ডায়েটে রয়েছে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী শেফালী শাহ বলেন, তিন মাসের বেশি তিনি নো কার্ব ডায়েট করতে পারেননি। অভিনেত্রী বলেন, ‘‘ওজন ঝরানোর জন্য আমি তিন মাস কোনও রকম কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার খাইনি। তার পর যে দিন কার্বোহাইড্রেট খেলাম, সেই দিনটা পুরো শিশুদের মতো ঘুমিয়েছিলাম। আমাদের মস্তিষ্কেরও কার্বের প্রয়োজন, শুধুমাত্র প্রোটিনের উপর নির্ভর করে বাঁচা যায় না।’’

Advertisement

কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার এই বিশেষ ডায়েটে একেবারে এড়িয়ে চলতে হবে। পরিবর্তে খেতে হবে পরিমাণ মতো প্রোটিন এবং বেশি করে ফ্যাট জাতীয় খাবার। মূলত ফ্যাট গলিয়েই শরীরের এনার্জির ঘাটতি মিটবে। কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া একেবারে বন্ধ করে দিলে শরীর যে বিশেষ মেটাবলিক পর্যায়ে চলে যায়, তাকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘কিটোসিস’ বলে। আর সেই থেকেই এই ডায়েটের নাম হয় কিটো ডায়েট। শরীর যখন কিটোসিস অবস্থায় থাকে, তখন প্রচুর মাত্রায় মেদ গলে। যে কারণে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। তবে শরীরে কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতির কারণে মাথা ঘোরা, ভুলে যাওয়া, মেজাজ বিগড়ে থাকার মতো নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কিটো ডায়েট করলে দ্রুত ওজন ঝরানো সম্ভব হলেও খুব বেশি দিন সেই ওজন ধরে রাখা যায় না। ডায়েট বন্ধ করে দিলেই ওজন আবার বেড়ে যেতে পারে। এই ডায়েটে শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি হয়। এই ডায়েটের ফলে ইচ্ছে থাকলেও অনেক কিছু খেতে পারি না আমরা। বিশেষত, মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছে বেড়ে যায়। এর ফলস্বরূপ মানসিক অবসাদেও ভুগতে পারেন মানুষ। উদ্বেগের কারণে মহিলাদের শরীরে হরমোনাল ডিজ়ব্যালান্স তৈরি হয়, যা ঋতুচক্রের উপরেও পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, নো কার্ব ডায়েট করতে হলে দু’ থেকে তিন মাসের বেশি কখনওই করা উচিত নয়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement