শেওড়াফুলিতে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার

বিজেপি-র এক পঞ্চায়েত সদস্যকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মঙ্গলবার সকালে তারকেশ্বর শাখার শেওড়াফুলি এবং দিয়াড়া স্টেশনের মাঝে ডাউন লাইনের ধার থেকে ওই বিজেপি নেতার মৃতদেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশ (জিআরপি)। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম নন্দগোপাল ঠাকুর ওরফে জংলি (৫৮)। বাড়ি উত্তরপাড়া থানার কানাইপুরের শাস্ত্রীনগরে। তিনি নবগ্রামে ভারত সেবাশ্রমের শাখায় গাড়ি চালাতেন। কানাইপুর পঞ্চায়েতের একমাত্র বিজেপি সদস্য ছিলেন তিনি। শ্রীরামপুর-উত্তরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তৃণমূল নেতা আচ্ছালাল যাদবের নির্দেশেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন নিহতের ছেলে। হাওড়া রেল পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও কেউ ধরা পড়েনি।’’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০১৫ ২১:৫০
Share:

নন্দগোপাল ঠাকুর।

বিজেপি-র এক পঞ্চায়েত সদস্যকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল-আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও সে অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মঙ্গলবার সকালে তারকেশ্বর শাখার শেওড়াফুলি এবং দিয়াড়া স্টেশনের মাঝে ডাউন লাইনের ধার থেকে ওই বিজেপি নেতার মৃতদেহ উদ্ধার করে রেল পুলিশ (জিআরপি)। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম নন্দগোপাল ঠাকুর ওরফে জংলি (৫৮)। বাড়ি উত্তরপাড়া থানার কানাইপুরের শাস্ত্রীনগরে। তিনি নবগ্রামে ভারত সেবাশ্রমের শাখায় গাড়ি চালাতেন। কানাইপুর পঞ্চায়েতের একমাত্র বিজেপি সদস্য ছিলেন তিনি। শ্রীরামপুর-উত্তরপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তৃণমূল নেতা আচ্ছালাল যাদবের নির্দেশেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন নিহতের ছেলে। হাওড়া রেল পুলিশের এক পদস্থ কর্তা বলেন, ‘‘অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও কেউ ধরা পড়েনি।’’

Advertisement

রেল পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে গিয়েছিলেন নন্দগোপালবাবু। রাত ১০টা নাগাদ সেখান থেকে বের হন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় দুষ্কৃতীরা তাঁকে তুলে নিয়ে চলে যায়। নিহতের মেজ ছেলে লছমন জানান, বাড়ি না ফেরায় বাবার মোবাইলে ফোন করেন তাঁরা। প্রথমে তা বেজে যায়। পরে একটি ছেলে মোবাইলটি ধরে জানায়, কাছেই একটি ঝোপে তা পড়ে ছিল। এর পরেই বাড়ির লোক এবং পড়শিরা তাঁকে খোঁজাখুঁজি করতে শুরু করেন। খবর পেয়ে কানাইপুর ফাঁড়ির পুলিশও পৌছয়। কিন্তু রাতভর খুঁজেও নন্দগোপালবাবুর হদিশ মেলেনি।

এ দিন সকালে দেহটি উদ্ধার করে শেওড়াফুলি জিআরপি। নিহতের গলায় দাগ ছিল। নিহতের বড় ছেলে লক্ষ্মণের অভিযোগ, ‘‘আমাদের ধারণা, গলা টিপে বাবাকে খুন করা হয়েছে। তার পরে মৃতদেহ দিল্লি রোডের উপর থেকে রেল লাইনে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।’’ তদন্তকারী অফিসাররাও সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না। খুনের পিছনে তৃণমূলের যোগসাজস রয়েছে বলে লক্ষ্মণের অভিযোগ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement