—প্রতীকী চিত্র।
রাহুল গান্ধী পশ্চিমবঙ্গে ভোট-প্রচারে গিয়ে বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দুর্নীতিতে জড়িয়েছে, আর জি কর-কাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ করেনি বলেই বাংলায় বিজেপির জমি শক্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট মিটতে সেই রাহুলের কংগ্রেসই মনে করছে, রাজ্যে তৃণমূলই ‘একক বৃহত্তম দল’ হিসেবে উঠে আসবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ‘কল্যাণকর প্রকল্প’ তৃণমূলকে এগিয়ে রাখবে।
ভোটের প্রচারে গিয়ে রাহুল তৃণমূলকে আক্রমণ করলেও, ৪ মে ভোটের ফল প্রকাশের পরে কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি বৈঠকে বসার ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। নরেন্দ্র মোদীর সরকার ফের মহিলাদের সংরক্ষণের নাম করে লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিল নতুন চেহারায় সংসদে ফেরত আনতে পারে বলে কংগ্রেস আশঙ্কা করছে। তার রণকৌশল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে। বিরোধীরা একজোট হয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে লোকসভার আসন বৃদ্ধির সংবিধান সংশোধনী বিল আটকে দিয়েছিল। নির্বাচনের সময়ে কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম একে অপরের বিরুদ্ধে লড়লেও সংসদে ঐক্য ধরে রাখার চেষ্টা হবে।
অধিকাংশ বুথ-ফেরত সমীক্ষা বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। কংগ্রেসের পশ্চিমবঙ্গের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গুলাম আহমেদ মীর আজ দিল্লিতে বলেন, “রাজ্যে আমরা তেমন পরিস্থিতি দেখিনি। ভোটারদের লোভ, ভয় দেখাতে বিজেপি কোনও কসুর ছাড়েনি। তবে তৃণমূল এগিয়ে। কারণ বাংলার মানুষ সচেতন। ভোটারদের অর্ধেক মহিলা। অন্তত ৬০ শতাংশ মহিলা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন, এমনকি বিজেপি নেতাদের পরিবারের মহিলারাও। তৃণমূল সরকারের কল্যাণকর প্রকল্পে এক-একটি পরিবার গড়ে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা ভাতা পায়। তৃণমূল সাংগঠনিক শক্তিতেও এগিয়ে। বিজেপির শুধু হাওয়াবাজি। এই দু’দলের মধ্যেই মূল লড়াই। কারণ, বামেরা শেষ গিয়েছে। কংগ্রেসের ভিত প্রায় শূন্যের কাছাকাছি চলে গিয়েছিল। এ বার ২৯৪ আসনে লড়ে কংগ্রেস তৃতীয় বিকল্প দেওয়ার চেষ্টা করেছে।” রাহুলের তৃণমূলকে নিশানা নিয়েতাঁর সরস মন্তব্য, “বন্ধুত্ব পাকা, খরচ যার যার নিজের!”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে