West Bengal Elections 2026

রাজ্যের ন’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই কোনও স্থায়ী শিক্ষক! দাবি শমীকের, উড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগও

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে ধারাবাহিক কেন্দ্রীয় বঞ্চনার যে অভিযোগ তোলা হয়, সে প্রসঙ্গে শমীক বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার বারবার বলে, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আসলে রাজ্যের দুর্নীতির জন্য কেন্দ্র হিসাব চেয়েছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ২০:২৫
Share:

শমীক ভট্টাচার্য। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের ন’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও স্থায়ী শিক্ষিক (পার্মানেন্ট ফ্যাকাল্টি) নেই। মঙ্গলবার এই অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্যের শিক্ষাঙ্গনের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাতটিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১১ হাজার।’’

Advertisement

বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, ক্লাস শুরু হয়ে যাওয়ার কয়েক মাস পরে স্বীকৃতি পেয়েছে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘বারাসত স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ২০১৯ সালে যে নিয়োগ হয়েছে, তার কোনওটাতেই নিয়ম মানা হয়নি। দু’জনকে নিয়োগ করা হয়েছে বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পর। পিএইচডি ডিগ্রি বিক্রি হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে কোনও ভূমিকা নেই। ক্যাম্পাসের ভিতর অনেক গাছ, জলাভূমি স্থানীয় রাজনৈতিক গুন্ডাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে।’’

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের তরফে ধারাবাহিক কেন্দ্রীয় বঞ্চনার যে অভিযোগ তোলা হয়, সে প্রসঙ্গে শমীক বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব কেন্দ্রের প্রশ্নের উত্তর দিন । কারণ, রাজ্য সরকার বারবার বলে, কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিচ্ছে না। কিন্তু আসলে রাজ্যের দুর্নীতির জন্য কেন্দ্র হিসাব চেয়েছে। ১০০ দিনের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চায়। কিন্তু দিতে পারছে না রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে। রাজ্য সরকার দরিদ্র মানুষদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে বিজেপির বিরুদ্ধে। শিক্ষকদের এই সরকার বঞ্চিত করছে, রাজ্য সরকারের কর্মীদের এই সরকার বঞ্চিত করছে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement