—প্রতীকী চিত্র।
প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার ‘অপরাধে’ এক বধূকে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। প্রচারে বেরিয়ে ‘আক্রান্ত’ হলেন তৃণমূল প্রার্থী। আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিজেপি নেতার বাড়িতে হামলা চালানোর। শুক্রবার সন্ধে থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় এই ঘটনাগুলি ঘটেছে।
গত ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় গিয়েছিলেন বীরভূমের হেতমপুরের বাসিন্দা মমতা বাদ্যকর। তাঁর অভিযোগ, সেই আক্রোশে শুক্রবার সন্ধেয় তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে ভয় দেখান, হুমকি দেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি সুশান্ত বাদ্যকর। সুশান্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে শনিবার তিনি জামিন পান। তৃণমূলের অঞ্চল কার্যকরী সভাপতি অভিনিবেশ রায় অবশ্য বলেন, “ভিত্তিহীন অভিযোগ। মহিলার পরিবার বুথ সভাপতিকে মারধর করেছে।”
শুক্রবার রাতে কোচবিহারের কোতোয়ালি থানার চান্দামারির বৈরাতি গ্রামে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য মহেশ্বর বর্মণের বাড়িতে ভাঙচুর, বাড়ির মহিলাকে হেনস্থাতেও অভিযুক্ত তৃণমূল। বিজেপির ওই কেন্দ্রের প্রার্থী রথীন্দ্রনাথ বসু বলেন, “আমার ওই এলাকায় প্রচার ছিল। তার আগে হামলা হয়।” অভিযোগ মানেনি তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার থানা ঘেরাও করে বিজেপি।
এ দিন বেলা ১১টা নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না বিধানসভার বাকচায় প্রচার চালানোর সময় তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডল ও দলীয় কর্মীদের উপরে বিজেপি সমর্থকেরা আক্রমণ চালান বলে অভিযোগ। চন্দন-সহ কয়েক জন আহত হন বলে তৃণমূলের দাবি। বিজেপি অভিযোগ মানেনি। পুলিশ পরিস্থিতি সামলায়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে