TMC vs Election Commission

‘ভয় ও হিংসামুক্ত নির্বাচন হবে’, কমিশন লিখল তৃণমূলের নাম করেই! পাল্টা জবাব ধেয়ে গেল, ‘মুখোশটা এ বার খুলে ফেলুন’

বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের একটা বড় অংশের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বুধবার দিল্লির নির্বাচন সদনে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সেই বৈঠকের পরই কমিশন সরাসরি তৃণমূলের নাম করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৫১
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আবার ‘সম্মুখ সমরে’ তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশন। ‘সোজাসুজি’ একে অপরকে বার্তা দিল। দু’তরফেই সমাজমাধ্যমে সরাসরি ‘কড়া’ ভাষায় আক্রমণ শানানো হয়েছে। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে বুধবার সকাল থেকে তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লির রাজনীতি।

Advertisement

বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের একটা বড় অংশের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে বুধবার দিল্লির নির্বাচন সদনে যায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সেই বৈঠকের পরই কমিশন সরাসরি তৃণমূলের নাম করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে। সেই পোস্টে কমিশন জানায়, তারা তৃণমূলকে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে এ বার ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, হুমকিমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন হবে।

শুধু তা-ই নয়, কমিশন এ-ও জানিয়েছে, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও রকম ‘ছাপ্পা ভোটের’ জায়গা নেই। নির্বাচনে কোনও জায়গায় ‘বুথ জ্যামিং’ চলবে না, সেটাও কমিশন তৃণমূলকে জানিয়েছে বলে এক্স পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই পোস্ট নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই কমিশনকে পাল্টা জবাব দেয় পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল। তারা সরাসরি কমিশনকে উল্লেখ এক্স পোস্ট করে। সেই পোস্ট তৃণমূলের প্রশ্ন, ‘একটি নিরেপক্ষ সাংবিধানিক সংস্থার থেকে কি এমন আচরণ আশা করা যায়?’ তার পরেই পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল কমিশনের উদ্দেশে বলে, ‘সোজা কথা সোজা ভাবেই বলছি: মুখোশটা এ বার খুলে ফেলুন!’

Advertisement

বুধবার নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘অসহযোগিতার’ অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সদস্য তথা রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ তাঁদের ‘গেস্ট লস্ট’ বলে কমিশন থেকে বার করে দিয়েছেন। এ-ও দাবি করেন, ‘‘বৈঠকে কিচ্ছু হয়নি। একটাও কথা বলেনি। আমি বলছি, বৈঠকে কোনও কথা হয়নি। উনি নিজের সঙ্গে কথা বলেছেন।’’

ডেরেকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরাসরি কিছু না-বললেও কমিশন জানায়, বৈঠকের সময় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা চিৎকার-চেঁচামেচি করছিলেন। কমিশন সূত্রে খবর, বৈঠকের মাঝে ডেরেককে শিষ্টাচার মানার অনুরোধ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। উচ্চস্বরে এবং অশালীন ভাষায় কথা না-বলার বিষয়ে সতর্ক করেন। তার পরে শুরু হয়ে গেল এক্স-যুদ্ধ। একই সঙ্গে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল দাবি করে, বৈঠকে কী হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনুক কমিশন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement