—প্রতীকী চিত্র।
এক জন ভোট-পর্যবেক্ষক এবং এক জন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পর্যবেক্ষককে রাজ্য-ছাড়া হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কয়েক দিন ধরেই কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে একাধিক বিএলও-র বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছিল কমিশন। এ বার পর্যবেক্ষক ও পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ বিশেষ ‘অর্থবহ’ বলেই মনে করছেন অনেকে।
কমিশন সূত্রের খবর, হুগলি জেলার চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সাধারণ পর্যবেক্ষক সি পাউলরাসুকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতির নির্দেশিকা হাতে পাওয়া মাত্রই তাঁকে রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। চুঁচুড়ার কাছাকাছি আর একটি বিধানসভার সাধারণ পর্যবেক্ষক রাজেশকুমার শর্মাকে চুঁচুড়া বিধানসভার উপরে নজর রাখতে বলা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের রিজ়ার্ভ ফোর্সের কনস্টেবল মাসুদ করিমকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ভবানীপুর থানা এলাকার একটি ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। হলদিয়ার এসডিও কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সময় ভোটারদের প্রভাবিত করছিলেন মাসুদ করিম। কমিশনের নির্দেশ পেয়েই সাসপেন্ডের নির্দেশ কার্যকর করেছে কলকাতা পুলিশ। বিভাগীয় অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাসুদকে সাসপেন্ড থাকতে হবে। এই সময়ে মূল বেতনের অর্ধেক পাবেন তিনি।
রাজনৈতিক প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগে শুক্রবারই পাঁচ জন বিএলও-কে সাসপেন্ড করে এফআইআর দায়ের করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁদের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার তিন জন এবং বাকি দু’জন বীরভূমের দুবরাজপুর এবং ময়ূরেশ্বরের বিএলও।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে