শমসেরগঞ্জে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
এখানে শুনছি মেয়েদের চেক করবে। বিএসএফের নোটিফিকেশন দেখলাম, জানি না ঠিক কি না। আইটিবিপি-র ডিজি এসে বলে গিয়েছেন সব মেয়েদের চেক করবে। মেয়েদের গায়ে হাত দিলে, মেয়েরা মেয়েদেরটা বুঝে নেবেন।
যে কাজ করবে, সে টিকিট পাবে। যে মানুষের সঙ্গে থাকবে সে টিকিট পাবে। তবে একটা দুটো ক্ষেত্রে বয়স ফ্যাক্টর হতে পারে। সম্মানের সঙ্গে যাঁরা দল করবেন, তাঁদের সসম্মানে সেই জায়গা ফিরিয়ে দেব।
ফরাক্কায় আমরা যাঁকে টিকিট দিইনি, শুনছি তিনি নাকি দাঁড়িয়েছেন। তাঁকে আবেদন করব, দলের স্বার্থে নাম তুলে নেবেন। যদি না করেন, তা হলে তাঁকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হবে। যে কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করেন, তাঁরা কি সকলে টিকিট পান?
তামিলনাড়ুতে কিসের আন্ডারস্ট্যান্ডিং! সব বাংলার অফিসারকে নির্বাচনের সময় বাংলায় না রেখে তামিলনাড়ুতে পাঠিয়ে দিচ্ছ।
আগামী দিন তুমি ভাবছ ভোট কেটে দিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে। জেনে রেখো আমি থাকতে, তৃণমূল থাকতে, জোড়াফুল থাকতে কোনও দিন এটা হতে দেব না। আমি মানে ১০০ ভাগ মানুষ। তাই তোমরা আমার উপর বদলা নিচ্ছ। আমি তো জীবনে শুনিনি কর্পোরেশনও ওদের আন্ডারে হয়ে গিয়েছে, যা ইচ্ছে তাই করছে।
তুমি কাকে কাকে ভয় দেখাচ্ছ, কাকে ফোন করছ, সব জানি। তুমি হচ্ছ সবচেয়ে বড় ভোটকাটারি ভাই। নাম না করে আক্রমণ মমতার।
রাতের বেলা অন্ধকার করে শুধু সিআরপিএফ-কে দিয়ে পাহারা দিয়ে, সেন্ট্রাল ফোর্সকে দিয়ে পাহারা দিয়ে ভিতরে যাতে মেশিন বদলাতে না পারে, তার জন্য ২৪ ঘণ্টা পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে।
২৯৪টি কেন্দ্রে আমি কিন্তু প্রার্থী। ভুলে যান কার কী নাম, কার কী ধর্ম। শুধু মনে রাখুন জোড়াফুল। জোড়াফুলকে ভোট দিলে আমি আপনাদের রক্ষা করতে পারব।
রবিবার মুর্শিদাবাদে নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রথম সভা শমসেরগঞ্জে। ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। তার পর জিয়াগঞ্জ এবং বহরমপুরে রয়েছে। সমশেরগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ নুর আলম এবং ফরাক্কা কেন্দ্রের প্রার্থী মহম্মদ আমিরুল ইসলামের সমর্থনে জনসভা করছেন তিনি।