West Bengal Election 2026

‘টাকার বিনিময়ে টিকিট’! কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই কার্যালয়ের সামনে বিজেপি কর্মীদের একাংশের বিক্ষোভ

শনিবার রাতে রাজ্যের আরও পাঁচ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। তিন আসনে প্রার্থী বদলও করেছে। কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা আসনে তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অভিযোগ, এই ঘোষণার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় কৃষ্ণনগরে বিজেপির কার্যালয়ের সামনে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০৪
Share:

কৃষ্ণনগরে কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের একাংশের বিক্ষোভ। — নিজস্ব চিত্র।

কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীকে নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বিজেপি কর্মীদের একাংশের মধ্যে, এমনটাই দলীয় সূত্রে খবর। সেই সূত্রেই জানা গিয়েছে, ক্ষোভ প্রকাশ করে শনিবার গভীর রাত থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগের তির সরাসরি জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের দিকে। বিক্ষুব্ধদের দাবি, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য প্রার্থীকে টিকিট দেওয়া হয়েছে, যা তৃণমূলের হাত শক্ত করারই নামান্তর। বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব বলছেন, দল যাঁকে প্রার্থী করবে, তাঁর হয়েই সকল কর্মীকে লড়তে হবে।

Advertisement

শনিবার রাতে রাজ্যের আরও পাঁচ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। তিন আসনে প্রার্থী বদলও করেছে। কৃষ্ণনগর উত্তর বিধানসভা আসনে তারকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অভিযোগ, এই ঘোষণার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় কৃষ্ণনগরে বিজেপির কার্যালয়ের সামনে। রাত ১২টা নাগাদ সেখানে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক জড়ো হন বলে খবর। বিজেপির একটি সূত্রে খবর, বিক্ষোভে শামিল হন বেশ কয়েক জন মণ্ডল সভাপতি এবং পঞ্চায়েত প্রধানও। বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, অবিলম্বে প্রার্থী বদল করতে হবে। অন্যথায় তাঁরা গণইস্তফা দিয়ে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করানোর পথে হাঁটবেন।

বিক্ষোভকারীদের একাংশের অভিযোগ, ঘোষিত প্রার্থীর সঙ্গে এলাকার মানুষের খুব একটা যোগাযোগ নেই। বিক্ষোভকারী এক নেতা বলেন, “টাকার বিনিময়ে এখানে প্রার্থী করা হয়েছে, যার ফলে এই আসনটি তৃণমূলের হাতে চলে যাবে। বিজেপি নেতৃত্ব জেনেবুঝে এই আসনটি শাসকদলকে উপহার দিতে চাইছে। আমরা এটা হতে দেব না।”

Advertisement

শনিবার রাত ২টো পর্যন্ত চলে এই বিক্ষোভ। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ আবার বড়সড় আন্দোলনের ডাক দেন বিজেপি কর্মীদের একটা অংশ। নদিয়া উত্তর সংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, ‘‘বিজেপি একটি সংগঠিত রাজনৈতিক দল। দল যাঁকে প্রার্থী নির্বাচিত করবে, তাঁকে জেতানো প্রত্যেক নেতা-কর্মীর দায়িত্ব। বিক্ষোভের নেপথ্যে অন্য কোনও অভিসন্ধি আছে কি না দেখতে হবে।’’ সূত্রের খবর, নির্বাচনের মুখে এই কোন্দলে দলের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement