Goutam Deb Vs Sankar Ghosh

প্রচারে গিয়ে রাস্তা দেখে চটে লাল গৌতম, পুরনিগমে ফোন, ‘মেয়রকে বলো’! টিপ্পনী কাটলেন প্রতিদ্বন্দ্বী শঙ্কর

শুরুতেই ‘ঠোক্কর’। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়ে সেখানকার নিকাশি ব্যবস্থা, জড়ো জঞ্জাল এবং রাস্তার দশা দেখে নিজেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শিলিগুড়ির মেয়ের তথা তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫৩
Share:

(বাঁ দিকে) গৌতম দেব। শঙ্কর ঘোষ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে রাস্তার অবস্থা দেখে মেজাজ বিগড়োল শিলিগুড়ির মেয়র তথা ওই বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেবের। একরাতের বৃষ্টিতে খানাখন্দ, নর্দমা উপচে নোংরা জল রাস্তায় উঠে এসেছে। প্রচার করতে করতেই পুর আধিকারিকদের ফোন করলেন তিনি। তার পর শুরু হয় কাজ। যা দেখেশুনে বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়কের খোঁচা,‘‘‘মেয়রকে বলো’-র নম্বর কাজ করছে না?’’

Advertisement

শুক্রবার শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে যান গৌতম। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবার বিজেপির বিবেক সিংহ। অন্য দিকে, তৃণমূলের প্রার্থীই তো বিদায়ী মেয়র। তাঁকে প্রচার করতে দেখে এলাকার বাসিন্দারা একজোট হয়ে অভিযোগ জানান। সবই শোনেন গৌতম। তার পর রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেন।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১ থেকে ৩০ এবং ৪৫, ৪৬ ও ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড শিলিগুড়ি বিধানসভার অধীনে। মোট ৩৩টি ওয়ার্ড রয়েছে শিলিগুড়ি বিধানসভাতেই। বাকি ১৪টি ওয়ার্ড ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার অধীনস্থ। যেখান থেকে বিধানসভা ভোটে লড়বেন না বলে আগেই ঘোষণা করেছিলেন গৌতম। ৯, ১২ এবং ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিজেপির। আবার ১৯, ২২ এবং ২৮ নম্বর ওয়ার্ড সিপিএম, ১৬ নম্বর ওয়ার্ড কংগ্রেসের দখলে রয়েছে। বাকি ২৬টি ওয়ার্ডে শাসক তৃণমূল। ওই বিরোধী ওয়ার্ডগুলিতে প্রচারে জোর দিচ্ছেন গৌতম। জনসংযোগ বাড়াতে গত বছর পুরনিগমের সমস্ত ওয়ার্ডের মানুষের কাছে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছেন তিনি। কিন্তু শুরুতেই ‘ঠোক্কর’। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচারে বেরিয়ে সেখানকার নিকাশি ব্যবস্থা, জড়ো জঞ্জাল এবং রাস্তার দশা দেখে নিজেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সাধারণ মানুষও নাগরিক পরিষেবা নিয়ে মেয়রকে অভিযোগ করেন। এর পর মেয়র পারিষদকে ফোন করে নোংরা-আবর্জনা পরিষ্কারের নির্দেশ দেন তৃণমূল প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘‘এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমার সহকর্মী। আমি সবার মেয়র। আমি আবর্জনা দেখে মেয়র পারিষদকে ফোন করে দ্রুত সমাধান করতে বলেছি।’’

Advertisement

বিজেপি প্রার্থী শঙ্করের টিপ্পনী, ‘‘উন্নয়নের এত যে ডঙ্কা পেটালেন, আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করলেন, তার ফল কী হল! এতদিনে তো দেখিনি যে উনি বেরিয়েছেন। এখন বেরিয়ে নিজের ‘উন্নয়ন কার্ড’ নিজেই প্রকাশ করলেন। ওঁর বড় গাড়ি কালো কাচে ঢাকা। এত দিন এ সব চোখে পড়েনি। ভোট আসতে চোখ খুলল।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement