Sayantika Banerjee vs Sajal Ghosh

ফের সায়ন্তিকা বনাম সজল! প্রচারে অশান্তি বরাহনগরে, স্লোগান-সংঘর্ষে থমকে গেল রাস্তা, বেগ পেল পুলিশও

গন্ডগোলের সূত্রপাত ফ্লেক্স-হোর্ডিং নিয়ে। বিজেপির অভিযোগ, তাদের ফ্লেক্স, হোর্ডিং খুলে নিজেদের হোর্ডিং লাগিয়েছে তৃণমূল। পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটের প্রচার করছিল। বিজেপি ইচ্ছাকৃত ভাবে অশান্তি পাকাচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ২১:২৩
Share:

(বাঁ দিকে) সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সজল ঘোষ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

আবার সম্মুখসমরে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সজল ঘোষ। উপনির্বাচনের পর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ফের বরাহনগরে তৃণমূল এবং বিজেপির ঠোকাঠুকি। দুই পক্ষের বচসা, স্লোগান লড়াই এবং সংঘর্ষে স্তব্ধ হয়ে গেল যান চলাচল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বেগ পেতে হল পুলিশকে।

Advertisement

গন্ডগোলের সূত্রপাত ফ্লেক্স-হোর্ডিং নিয়ে। বিজেপির অভিযোগ, তাদের ফ্লেক্স, হোর্ডিং খুলে নিজেদের হোর্ডিং লাগিয়েছে তৃণমূল। পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোটের প্রচার করছিল। বিজেপি ইচ্ছাকৃত ভাবে অশান্তি পাকাচ্ছে। তৃণমূল প্রার্থী তথা বরাহনগরের বিদায়ী বিধায়ক সায়ন্তিকার দাবি, তিনি ২ নম্বরে প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। আচমকা খবর পান ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে বহিরাগতেরা হকি স্টিক নিয়ে ঢুকেছেন কর্মীদের আক্রমণ করবেন বলে। ওই কথা শোনামাত্র গোপাল লাল ঠাকুর রোডে চলে যান তিনি। তার পরেই উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি।

সন্ধ্যায় মাইক হাতে তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থী সজলকে। ‘সায়ন্তিকা গো ব্যাক’, ‘চোর এমএলএ গো ব্যাক’ ইত্যাদি স্লোগান তুলতে থাকেন সজল-অনুগামীরা। এতে আরও ঘোরালো হয় পরিস্থিতি। দুই পক্ষের বাগ্‌যুদ্ধ শুরু হয়। রাস্তা জুড়ে দুই রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে যানজট শুরু হয়ে যায়।

Advertisement

সায়ন্তিকার অভিযোগ, ‘‘বিজেপি বহিরাগতদের হাতে হকি স্টিক দিয়ে আমাদের মহিলা কর্মীদের মেরেছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘নির্বাচনের সময় রাস্তার এ পার ও পার আমাদের তোরণ করা হয়। এ বারও হয়েছে। সেই নিয়ে বিজেপি পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করে। ওরা কাশীপুর, লেবুতলা, বেলতলা থেকে বহিরাগতদের ঢুকিয়ে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে গোলমাল করেছে। বরহানগরের মানুষ এ সব পছন্দ করে না।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘আসলে বিজেপি নার্ভ ফেল করছে। গুন্ডামি করলে পাল্টা দিতে আমরা কিন্তু প্রস্তুত।’’

সজলের অভিযোগ, বিজেপির পোস্টার, হোর্ডিং ইত্যাদি সরানোর চেষ্টা করেছে তৃণমূল। বিজেপি কর্মীদের তথা বরাহনগরের সাধারণ মানুষকে ক্ষ্যাপাচ্ছে ঘাসফুল শিবির। সায়ন্তিকার উদ্দেশে সজলের মন্তব্য, ‘‘বরাহনগর পাল্টে গিয়েছে। এটা ২০২১ সাল নয়। মনে রাখতে হবে, এটা ২০২৬। নতুন ভারত যেমন ঠিক জায়গায় কাউন্টার স্ট্রাইক করে, প্রয়োজন হলে বরাহনগরে আমরাও তাই করব। প্যাটন ট্যাঙ্ক নিয়ে হামলা হলে বৈজয়ন্তীতে জবাব দেব। ব্রহ্মসগুলো পরে দেখাব।’’

উল্লেখ্য, এর আগে বরাহনগরে উপনির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন সজল-সায়ন্তিকা। শেষ হাসি হাসেন তৃণমূলের তারকাপ্রার্থীই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement