মুখ ফস্কে
ভোট-বাজারে মুখ ফস্কে বলে ফেলার ‘ট্র্যাডিশন’ চলছেই। ক’দিন আগে প্রচারে বেরিয়ে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র বসু বলে ফেলেছিলেন, ‘বামফ্রন্ট প্রার্থীদের জয়যুক্ত করুন’। এ বার তৃণমূলের গায়ক নেতা ইন্দ্রনীল সেন পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের প্রচার সভায় বললেন, ‘‘বাংলার বাইরে বের করে দিন কংগ্রেস ও তৃণমূলকে।’’ পরে মহিষাদলের এক তৃণমূল নেতা বলেন, ‘ইন্দ্রনীল আসলে বলতে চেয়েছেন কংগ্রেস ও বামেদের কথা।’’
হাঁপ ছেড়ে
মঙ্গলবার বিকেলে হলদিয়ার ভবানীপুরে তৃণমূল প্রার্থী মধুরিমা মণ্ডলের প্রচার সভায় এসেছিলেন দেব। সঙ্গে সাংসদ মুকুল রায়। সেখানেই দেব বলেন, “আজ আমার মুডটা সত্যি খুব ভাল। তার কারণ মুকুলদা জানেন।’’ পরক্ষণে তাঁর সংযোজন, “গত ৪৫ দিনে অনেক ঘাম ঝরিয়েছি। রাজ্যের এমন কোনও এলাকা নেই, এমন কোনও প্রার্থী নেই যার এলাকায় আমরা প্রচারে যাইনি।” যা শুনে সভাস্থলে গুঞ্জন, ‘‘সত্যি হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন দেব।’’
মমতার ঘোষণা, রিপোর্ট তলব
দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে গত ২৬ এপ্রিল প্রচারসভায় মুখ্যমন্ত্রী সুন্দরবনকে আলাদা জেলা করার কথা ঘোষণা করে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছেন বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছিলেন সেখানকার সিপিএম প্রার্থী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার সুনীল গুপ্তর কাছে এ নিয়ে জানতে চেয়েছে। নবান্ন সূত্রের খবর, মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন সুনীলবাবু। নবান্নের এক কর্তা বলেন, সম্প্রতি নতুন আসানসোল জেলা করার ঘোষণা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। কমিশন মুখ্যমন্ত্রীকে শো-কজ করলে তার জবাব দেন মুখ্যসচিব। সেই জবাব গ্রাহ্য করেনি কমিশন। পরে অবশ্য কমিশন মুখ্যমন্ত্রীকে পৃথক চিঠি দেয়।