— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
বাণিজ্য বিভাগের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত পড়ুয়ারা আর্থিক ক্ষেত্রে সরকারি এবং বেসরকারি কাজের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কেউ হিসাবরক্ষক হিসাবে যোগদান করেন, আবার কেউ ট্যাক্স কনসালট্যান্ট পদে চাকরি করতে চান। ট্যাক্স কনসালট্যান্ট হতে আগ্রহীরা কোন কোন ক্ষেত্রে চাকরি পেতে পারেন, তার সুলুক সন্ধান রইল।
ট্যাক্স কনসালট্যান্ট-এর কাজ
নাগরিকের বেতন বা বার্ষিক রোজগার, আয়-ব্যয়ের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা কর হিসাবে জমা দিতে হয়। করদাতাদের কোন ক্ষেত্রে কত টাকা জমা দিতে হবে, তাঁদের আবেদন ঠিক সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া, বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া, অডিট-এর সময় তথ্য দেওয়ার মতো দায়িত্ব পালন করেন ট্যাক্স কনসালট্যান্ট।
কারা চাকরি পাবেন ওই পদে?
বাণিজ্য বিভাগের বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের উল্লিখিত পদে চাকরির সুযোগ পেতে পারেন। তাঁদের ট্যাক্স রিটার্ন ফাইলিং, ট্যালি, গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স (জিএসটি) সংক্রান্ত কাজেও দক্ষতা থাকতে হবে। এ ছাড়াও প্রার্থীদের ট্যাক্সেশন বিষয়ে ডিপ্লোমা কিংবা জিএসটি প্র্যাকটিশনার কোর্স সম্পূর্ণ থাকা প্রয়োজন।
কোথায় চাকরি মেলে?
শুরুতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কিংবা ফিনানশিয়াল সার্ভিসেস ফার্মে যোগদান করে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ কিংবা শিক্ষানবিশির সুযোগও থাকে। দেশের আয়কর বিভাগ, জিএসটি কাউন্সিল, নীতি আয়োগ, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, সিকিউরিটিজ় অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন রাজ্যের অর্থবিভাগে নিয়মিত ভাবে উল্লিখিত পদে চাকরির সুযোগ মেলে। এ ছাড়াও রাইটস লিমিটেড, এনএলসি ইন্ডিয়া লিমিটেড-এর মতো বিভিন্ন সরকার অধীনস্থ সংস্থা-তেও চুক্তির ভিত্তিতে ওই পদে কাজের সুযোগ মেলে।
বেতনকাঠামো:
সরকারি এবং বেসরকারি— উভয় ক্ষেত্রেই এই পদে চাকরির সুযোগ মেলে। এ ছাড়াও ফ্রিল্যান্সার হিসাবেও বর্তমানে কাজ করা যেতে পারে। সদ্য ডিগ্রি অর্জন করেছেন, এমন ব্যক্তিরা শুরুতে ট্যাক্স কনসালট্যান্ট হিসাবে বার্ষিক ৬ থেকে ১০ লক্ষ টাকা বেতন হিসাবে পেতে পারেন। অভিজ্ঞতার নিরিখে ওই বেতনক্রম ১৮ লক্ষ টাকা থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।