—প্রতীকী চিত্র।
বিধানসভা ভোট মেটার পরে স্কুল থেকে চলে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু তাদের ব্যবহার করা বিদ্যুতের বিল যত টাকা এসেছে,তা দেখে তাজ্জব বনে গিয়েছেনপ্রধান শিক্ষকেরা। কোনও স্কুলে বিলের অঙ্ক ৩০ হাজার টাকা,কোনও স্কুলে তারও বেশি। প্রধান শিক্ষকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাঁদের স্কুলে সাধারণত যতটাকা বিদ্যুতের বিল আসে, এ বারতার থেকে অন্তত তিন-চার গুণবেশি এসেছে।
বাঙুরের নারায়ণ দাস মেমোরিয়াল মাল্টিপারপাজ় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় বড়ুয়া বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে সারা এপ্রিল মাস কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় কোনও ক্লাস হয়নি। বিদ্যুতের বিল এসেছে৩৬৩১০ টাকা। অথচ, মার্চে ক্লাস হওয়ার পরেও বিল এসেছিল ১২৬৯০ টাকা। এ বার এত টাকা বিল কীভাবে মেটাব?’’
একই সমস্যায় পড়েছেন যোধপুর পার্ক বয়েজ় স্কুলের প্রধান শিক্ষক অমিত সেন মজুমদার। তিনিবলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে ৩০ হাজার টাকার উপরে বিদ্যুতের বিল এসেছে। আমরা বিষয়টি স্থানীয় থানা,নির্বাচন কমিশন ও শিক্ষা দফতরে জানিয়েছি। কোনও রকমে কম্পোজ়িট গ্রান্ট থেকে বিল মেটানো হয়েছে ঠিকই। তবে তা করতে গিয়ে গ্রান্টপ্রায় ফাঁকা।’’
টাকি গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শম্পা চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের স্কুলে সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়ে তা ব্যবহার করা হয়। ফলে, এমনিতে বিল কিছুটা কম আসে। তা-ও এপ্রিল মাসের বিলের অঙ্ক অন্য বারের থেকে অনেকটাই বেশি এসেছে।’’
প্রধান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংগঠন ‘অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস’-এর রাজ্য সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, ‘‘স্কুলগুলির কম্পোজ়িট গ্রান্ট বাবদ যত টাকা প্রাপ্য, তারা পায় তার অর্ধেক বা এক-চতুর্থাংশ। কম্পোজ়িট গ্রান্ট ঠিক মতো পেলে বিদ্যুতের বিল মেটাতে অসুবিধা হয় না।’’
যদিও শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন সরকার আসার পরে স্কুলগুলিতে পরিকাঠামোগত বিভিন্ন পরিবর্তন হচ্ছে। কম্পোজ়িট গ্রান্ট নিয়মিত পাওয়া যাবে। ফলে, বিদ্যুতের বিল মেটানো নিয়ে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে