Career as Company Secretary

কোম্পানি সেক্রেটারি হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান! কী ভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে?

কোনও সংস্থার বিভিন্ন আইনি এবং প্রশাসনিক দিক সামাল দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয় কোম্পানি সেক্রেটারিকে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৪
Share:

প্রতীকী চিত্র।

সরকারি বা বেসরকারি বড় কোনও সংস্থা সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে প্রয়োজন হয় একজন কোম্পানি সেক্রেটারি বা সিএস-এর। ওই সংস্থার বিভিন্ন আইনি এবং প্রশাসনিক দিক সামাল দিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হয় কোম্পানি সেক্রেটারিকে। এই পেশা গ্রহণ করতে গেলে কী ভাবে প্রস্তুত করতে হবে নিজেকে? রইল বিস্তারিত—

Advertisement

কোম্পানি সেক্রেটারির কাজ

বৃহৎ বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানে কোম্পানি সেক্রেটারির প্রয়োজন হয়। ওই সংস্থা সমস্ত আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা দেখভালের দায়িত্ব তাঁদেরই। উচ্চপদস্থ এই কর্মকর্তাকে সংস্থার বোর্ড অফ ডিরেক্টরস বা পরিচালনা পর্ষদ এবং অন্য কর্মীদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করতে হয়। এ জন্য তাঁকে ডিরেক্টরদের মধ্যে বৈঠকের আয়োজন যেমন করতে হয়, তেমনই বার্ষিক সাধারণ সভা আয়োজনও করতে হয় তাঁকে। সেই সভার কার্যবিবরণী প্রস্তুত করার দায়িত্বও থাকে তাঁর উপরেই। সংস্থাকে যাতে কোনও আইনি জটিলতার মুখে না পড়ে তা দেখার দায়ও কোম্পানি সেক্রেটারির। সে জন্য দেশের কোম্পানি আইন, সুরক্ষা আইন এবং নানা ব্যবসায়িক আইন সম্বন্ধে পরিচালনা পর্ষদকে সঠিক পরামর্শ দিতে হয় তাঁকে।

Advertisement

এ ছাড়া, আয়কর জমা দেওয়া, বার্ষিক হিসাব বা অন্য নথি জমা দেওয়ার দায়িত্ব থাকে তাঁর উপর। সংস্থার বিভিন্ন অংশীদার (শেয়ারহোল্ডার) এবং দেশের সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থা সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার দায়িত্বেও থাকেন তিনি। অর্থাৎ একটি সংস্থা যাতে স্বচ্ছ ভাবে, আইনি বিধিনিষেধ মেনে পরিচালিত হয়, তার সম্পূর্ণ দায়ভার থাকে একজন কোম্পানি সেক্রেটারির উপর।

দেশের কোন প্রতিষ্ঠানে কোম্পানি সেক্রেটারি হওয়ার পাঠ দেওয়া হয়?

একমাত্র দি ইনস্টিটিউট অফ কোম্পানি সেক্রেটারিজ় অফ ইন্ডিয়া-ই দেশে কোম্পানি সেক্রেটারি হওয়ার কোর্স পরিচালনা করে। এটি কেন্দ্রের কর্পোরেট মন্ত্রক স্বীকৃত একটি স্বশাসিত সংস্থা। নয়া দিল্লি ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শহরে সংস্থার বিভিন্ন কেন্দ্রে কোর্স করানো হয়।

কোর্স এবং প্রশিক্ষণ

মোট তিনটি ধাপে কোম্পানি সেক্রেটারি হয়ে ওঠার পাঠ দেওয়া হয়। প্রথমটি কোম্পানি সেক্রেটারি ফাউন্ডেশন কোর্স। দ্বিতীয়টি কোম্পানি সেক্রেটারি এগ্‌জ়িকিউটিভ কোর্স। তৃতীয় এবং সর্বশেষ কোর্সটি কোম্পানি সেক্রেটারি প্রফেশনাল কোর্স।

তবে এগ্‌জ়িকিউটিভ কোর্স শেষে পড়ুয়াদের বিভিন্ন সংস্থায় ১৫ মাসের একটি প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। এই প্রশিক্ষণ থাকলে দেশে কোম্পানি সেক্রেটারি হিসাবে প্র্যাকটিস করার সুযোগ পাওয়া যায়।

প্রবেশিকা

কোম্পানি সেক্রেটারির ফাউন্ডেশন কোর্স করার জন্য দিতে হয় সর্বভারতীয় পরীক্ষা কোম্পানি সেক্রেটারি এগ্‌জ়িকিউটিভ এন্ট্রান্স টেস্ট (সিএসইইটি)। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য যে কোনও বিষয়ে দ্বাদশোত্তীর্ণ হলেই আবেদন করা যায়।

তবে যাঁরা স্নাতক বা স্নাতকোত্তরের পর সিএস পড়তে চান, তাঁদের সিএসইইটি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। তাঁরা সরাসরি দ্বিতীয় ধাপের এগ্‌জ়িকিউটিভ কোর্স করার সুযোগ পান। সে ক্ষেত্রে স্নাতক বা স্নাতকোত্তরে তাঁদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর থাকা জরুরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement