Kala Hiran Controversy

‘মনে হচ্ছে, আমাকে ব্যবহার করা হল’! প্রচার-ঝলক দেখে ‘অস্বস্তি’তে গোবিন্দ নমদেব, ‘কালা হিরণ’ নিয়ে কী বললেন?

১২ জুন এই ছবির প্রথম প্রচার-ঝলক মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। সেখানে এমন একটি চরিত্র দেখানো হয়, যার চেহারা, পোশাক, চলন-বলন সবই বলিউডের ‘ভাইজান’-এর সঙ্গে মেলে। এর পরেই জোরালো আলোচনা। কী বললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১৯:১০
Share:

ক্ষোভপ্রকাশ গোবিন্দ নমদেবের। ছবি: সংগৃহীত।

ঘোষণার পর থেকেই আলোচনায় ‘কালা হিরণ’ নামক ছবিটি। খবর, এ বার এই ছবি থেকে সরলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা গোবিন্দ নমদেব। ১৯৯৮ সালে সলমন খানের কৃষ্ণসার শিকার মামলা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই ছবি তৈরি বলে দাবি। গোবিন্দের মতে, ছবিটি আদতে বলিউড তারকাকে লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে আগে থেকে অবগত ছিলেন না বলে দাবি বর্ষীয়ান অভিনেতার। সেই কারণেই এই কাজ থেকে নিজেকে সরানোর সিদ্ধান্ত তাঁর।

Advertisement

১২ জুন এই ছবির প্রথম প্রচার-ঝলক মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। সেখানে এমন একটি চরিত্র দেখানো হয়, যার চেহারা, পোশাক, চলন-বলন সবই বলিউডের ‘ভাইজান’-এর সঙ্গে মেলে। ছবিটি কৃষ্ণসার শিকার মামলাকে কেন্দ্র করে তৈরি, যা নিয়ে প্রায় তিন দশক আগে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। যেখান থেকে শুরু হয় বিশ্নোই গ্যাংয়ের প্রতিবাদ। বাস্তবে সেই থেকে বার বার হুমকির মুখে পড়েছেন সলমন।

তবে গোবিন্দ জানিয়েছেন, যে ছবিতে তিনি কাজ করতে সম্মত হয়েছিলেন এবং যা এখন দর্শকের সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে, দু’য়ের মধ্যে নাকি একেবারেই মিল নেই। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতার দাবি, “প্রচার-ঝলক দেখার পরে আমি ভিতরে ভিতরে কেঁপে গিয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারি, আমি যেমন ভেবে শুট করেছিলাম, তার থেকে একেবারেই আলাদা ছবিটি। আমাদের এক বারও বলা হয়নি যে, সলমন খানের মতো যে চরিত্রটিকে তৈরি করা হয়েছে, তাকে এই ভাবে তুলে ধরা হবে। প্রচার-ঝলক দেখে আমি প্রতারিত বোধ করেছি। আমাকে অন্ধকারে রেখে, ব্যবহার করা হয়েছে। আমাকে যা বলা হয়েছিল, আর যা তৈরি করা হয়েছে, দুটোর মধ্যে এক পৃথিবী পার্থক্য রয়েছে।”

Advertisement

তাঁর দাবি, প্রথমে নাকি তাঁকে এই ছবির অন্য নাম বলা হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমাকে বলা হয়, ‘সম্ভল’ নামের একটা ছবি করা হচ্ছে। তখন মনেই হয়নি যে একেবারে অন্য দিকে গল্প যাবে।’” অভিনেতা আরও জানান যে, তাঁর ভূমিকা মূলত আদালতকক্ষের দৃশ্যগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। তাঁর ধারণা ছিল, ছবিটি শুধু ইতিমধ্যেই জনসমক্ষে থাকা বিচারপ্রক্রিয়াই তুলে ধরবে। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কোনও ‘গ্যাং কালচার’ বা এই ধরনের বিষয়কে তিনি সমর্থন করেন না। তাঁর কথায়, “যা দেখছি, তাতে আমি অস্বস্তি বোধ করছি।”

অন্য দিকে, এই ছবির উপরে স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সলমন। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে, এই ছবি সলমনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তৈরি এবং এটি তাঁর ব্যক্তিগত অধিকার সংক্রান্ত আদালতের পূর্ববর্তী আদেশ লঙ্ঘন করছে। মামলার শুনানি হবে ১৯ জুন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement