Akshay Kumar

১০৩ জ্বরে অচেতন হয়ে পড়েন অক্ষয়, বৈষ্ণোদেবী দর্শনে গিয়ে কী ভাবে রক্ষা পেয়েছিলেন অভিনেতা?

অক্ষয় কুমার বরাবরই ঈশ্বরবিশ্বাসী। সুযোগ পেলেই মন্দিরে মন্দিরে ঢুঁ মারেন। আবার কখনও বা জনসেবার জন্য দানও করেন। খুব ছোটবেলায় বৈষ্ণোদেবী ঘুরতে গিয়ে নাকি এক অলৌকিক ঘটনা ঘটে তাঁর সঙ্গে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩২
Share:

অক্ষয়ের জীবনে অনন্য অভিজ্ঞতা। ছবি: সংগৃহীত।

এই মুহূর্তে অক্ষয় কুমার ব্যস্ত তাঁর আসন্ন ছবি ‘ভূত বাংলা’ ছবির প্রচার নিয়ে। শরীরচর্চার কারণে বার বারই শিরোনামে থাকেন অক্ষয়। ষাঁট ছুঁই ছুঁই। তবু বয়সে এখনও টেক্কা দেন নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের। তবে এক বার এক ঘটনায় অভিনেতার নাকি প্রাণসংশয় হয়েছিল। বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে গিয়ে বিপদে পড়েও রক্ষা পান অক্ষয়।

Advertisement

অক্ষয় কুমার বরাবরই ঈশ্বরে বিশ্বাসী। সময়-সুযোগ পেলেই মন্দিরে মন্দিরে ঢুঁ মারেন। আবার কখনও বা জনসেবার জন্য দানও করেন। ‘ভূত বাংলা’র প্রচার চালাচ্ছেন অক্ষয়। ছবির প্রচারানুষ্ঠানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝে বৈষ্ণোদেবী তীর্থের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন তিনি। অক্ষয় জানান, বৈষ্ণোদেবীর কাছে মানত করেই নাকি বাবা-মা তাঁকে পান। ঘটনাটি ১৯৬৯ সালের। সেই সময়ের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

অক্ষয়ের কথায়, ‘‘সন্তানসুখের আশায় আমার মা-বাবা বৈষ্ণোদেবীতে গিয়ে পুজো দিয়েছিলেন। ঈশ্বরের কাছে তাঁরা প্রার্থনা করেছিলেন একটি সন্তান চেয়ে। তার ঠিক একবছর পরেই আমার জন্ম। তাই আমার জন্মের পরে মা-বাবা আমাকে নিয়ে বৈষ্ণোদেবী তীর্থে যাওয়ার মনস্থ করেন।’’

Advertisement

অক্ষয় শোনান, ‘‘তবে সেই আধ্যাত্মিক সফরে এক চরম অভিজ্ঞতা হয় আমার। সেখানে আচমকাই আমার শরীর খারাপ হয়ে যায়। প্রচণ্ড জ্বর আসে। প্রথমে ১০৩, তারপর সেটা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। গা পুডে় যাচ্ছিল জ্বরে! একটা সময়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সে সময়ে কাটরায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসক আমাকে তড়িঘড়ি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। কারণ, তখনও সেখানকার চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নত ছিল না।”

অক্ষয়ের শরীরের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে দেখে বাবা-মা কান্নাকাটি শুরু করে দেন। অক্ষয় জানান, এমন সময় এক ব্যক্তি এসে তাঁর বাবাকে বলেন, ‘‘আপনার ছেলের হাসিটা বড্ড সুন্দর।’’ অভিনেতা জানান, বাবা তাঁর দিকে ফিরে তাকিয়ে দেখেন অসুস্থ অক্ষয় তখন হাসছে এবং পরমুহূর্তেই ঠিক হয়ে যায় সে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement