প্রসেনজিতের ‘পদ্মশ্রী’ পাওয়ার আনন্দে কী বললেন বিশ্বজিৎ ও তাঁর স্ত্রী ইরা? ছবি: সংগৃহীত।
রবিবার রাতে আসে সুখবর। পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর পরিবারও খুশিতে ডগমগ। এই খবর পেয়ে প্রসেনজিৎ জানিয়েছিলেন, পরিবারে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছেন তাঁর বাবা বিশ্বজিৎ এবং ছেলে তৃষাণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কী বললেন, বিশ্বজিৎ তাঁর স্ত্রী ইরা চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁদের মেয়ে সাম্ভবী চট্টোপাধ্যায়?
প্রসেনজিতের সঙ্গে দেখা হলে কী খাওয়াবেন জানালেন বিশ্বজিতের স্ত্রী ইরা। তিনি বলেন, “বাবাকে (বিশ্বজিৎ) না পেয়ে ও আমাকে ফোন করেছিল। আসলে অন্য ফোনে তখন অর্পিতা ছিল। আমি ওকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছি। মুম্বইয়ে এলে তো বুম্বা আমাদের নানা জায়গায় খাওয়াতে নিয়ে যায়। তবে ইচ্ছা আছে ওকে খাওয়ানোর। কিছুই তো খেতে চায় না। তবে ও ‘গ্রিন টি’ খেতে ভালবাসে। ওটা করে দেব।”
গর্বিত বাবা বিশ্বজিৎ। তিনি বলেন, “আজ থেকে ১৮ বছর আগে বলেছিলাম, বুম্বা তুমি বলিউড ফিল্মে কাজ করো, তোমার মধ্যে ট্যালেন্ট আছে। হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করলে বম্বের প্রথম সারির নায়কদের মধ্যে পড়বে। কিন্তু ও বাংলায় কাজ করতে চেয়েছিল। ওর ইচ্ছাই শেষ ইচ্ছা। সে ভাবেই ও করেছে। এটুকু ছাড়া আমার কোনও আক্ষেপ নেই। তবে এই নিয়েই তো জীবন, আজ তো আনন্দের দিন।” প্রবীণ অভিনেতা আরও জানান, নায়ক বিশ্বজিৎ হিসাবে যদি ছেলেকে এগিয়ে দিতেন, বিভিন্ন পরিচালকের কাছে ওর নাম বলতেন তা হলে হয়তো সহজে সাফল্য আসত। কিন্তু এই তৃপ্তি পাওয়া যেত না।
বিশ্বজিৎ বলেন, “যে ফিল্মের জন্য আমি বাড়ি ছেড়েছিলাম, সেই ফিল্মদুনিয়ায় আমার পরিবার রয়েছে। এই সিনেমার জন্যই জাতীয় স্তরের সম্মান পাচ্ছে। এখন গোটা পরিবার ফিল্মি পরিবার হয়ে গিয়েছে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করব বুম্বা যেন দীর্ঘায়ু হয়।”
সমান ভাবে উত্তেজিত ছোট বোন সাম্ভবীও। তিনি জানালেন দাদা প্রসেনজিতের কাছে তিনি ঠিক কতটা আদুরে। সাম্ভবী বলেন, “আমার বন্ধুরাও খুব উত্তেজিত। বহু বছর আগে আমার কিছু কিছু বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল দাদার।” শুধু প্রসেনজিৎ নন, বৌদি অর্পিতারও খুব কাছের তিনি। এই খবরে নিজের আনন্দ যেন ধরে রাখতে পারছেন না সাম্ভবীও।