Deepika Padukone

প্রিয়জনকে হারানোর শোক মেনে নিতে পারেননি দীপিকা! পরিণামে কী ঘটে অভিনেত্রীর সঙ্গে যার বোঝা বহন করে চলেছেন তিনি?

২০১৫ সালে তৈরি করেছিলেন ‘লিভ লাভ লাফ’ (এলএলএল) নামে একটি সংস্থা, যার মাধ্যমে অবসাদের শিকার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। কেন এমন উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ২১:৩৪
Share:

দীপিকা পাড়ুকোন। ছবি: সংগৃহীত।

প্রায় ১০ বছর আগে দীপিকা পাড়ুকোন জানান মানসিক অবসাদের কথা। মেকআপের আবরণ, ক্যামেরার ঝলকানি, ফিল্মি দুনিয়ার ঔজ্জ্বল্যের মধ্যেও ডিপ্রেশন, স্ট্রেস, অ্যাংজ়াইটির চক্রব্যূহ তাঁকে ঘিরে ধরেছিল। সে দিন তিনি শুধু এ বিষয়ে মুখ খোলার সাহস দেখিয়েই থেমে যাননি, ২০১৫ সালে তৈরি করেছিলেন ‘লিভ লাভ লাফ’ (এলএলএল) নামে একটি সংস্থা, যার মাধ্যমে অবসাদের শিকার মানুষদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। শুরুটা করেছিলেন নিজের শহর বেঙ্গালুরু থেকেই। কিন্তু, ক্রমশ হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গ্রামাঞ্চলেও। মেয়ের এমন উদ্যোগের নেপথ্যের কারণ এত বছর পর খোলসা করলেন বাবা প্রকাশ পাড়ুকোন।

Advertisement

আধুনিক যুগে ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরলের মতোই অবসাদও ছেয়ে যাচ্ছে চারিদিকে। শিশু থেকে প্রৌঢ়— যে কোনও বয়সেই মনের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন মানুষ। তবে বেশির ভাগ মানুষই এই সমস্যা নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে চান না। বলিউডের প্রথম সারির নায়িকা দীপিকাও জীবনের একটা সময়ে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত ছিলেন। তবে তা কখনও লুকিয়ে রাখেননি। কর্মজীবনে সাফল্যের চূড়ায় ছিলেন দীপিকা। তবু অজানা আতঙ্ক কাজ করত তাঁর মনে। দীপিকা ভাবতেন, ঘুমিয়ে পড়লেই হয়তো সমস্যার সমাধান হবে। অনেক দিন নাকি এমনও গিয়েছে, যখন আত্মহননের কথাও ভেবেছেন দীপিকা। মেয়ের সমস্যার প্রথম আঁচ পেয়েছিলেন অভিনেত্রীর মা।

দীপিকার কথায়, ‘‘মা আমাকে নানা ধরনের প্রশ্ন করতে শুরু করেন। প্রেম সংক্রান্ত, কাজ নিয়ে নানা প্রশ্ন করতেন মা আমাকে। সেগুলির কোনও উত্তর আমার কাছে থাকত না। তখনই মা বুঝতে পারেন যে, আমার মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সাহায্যের প্রয়োজন। ভাগ্যিস মা সঠিক সময় বুঝতে পেরেছিলেন।’’

Advertisement

এই একই কথা দীপিকার বাবার কণ্ঠেও। তিনি জানান, মনের অসুখ হলে, সবার আগে পরিবারকে পাশে থাকতে হয়। শরীর ও মন দুই-ই ভাল থাকলে, তবে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি হয়। প্রকাশের কথায়, ‘‘আমার মেয়ের এক বন্ধু মারা যায় অবসাদে। তার পর থেকে ও আরও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়ে ওঠে। এই নিয়ে সচেতনা ছ়ড়িয়ে দিতে বদ্ধপরিকর হয়। আমি মনে করি, ও যে কাজ করেছে, সেটা অনেকটাই। এটার দাম নিশ্চয়ই পাবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement