পরেশ-অক্ষয়ের দ্বন্দ্ব নয়, কেন বিশ বাঁও জলে ‘হেরা ফেরি ৩’-এর ভবিষ্যৎ? ছবি: সংগৃহীত।
বিশ বাঁও জলে ‘হেরা ফেরি ৩’ ছবির ভবিষ্যৎ। প্রথমে অভিনেতা পরেশ রাওয়াল এবং অক্ষয় কুমারের দ্বন্দ্ব ঘিরে বিস্তর জলঘোলা হয়। এ বার সমস্যা তৈরি হয়েছে প্রযোজকদের মধ্যে। এই আভাস আগেই দিয়েছিলেন পরেশ। প্রযোজক ফিরোজ় নাদিয়াদওয়ালার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ করেছে প্রযোজনা সংস্থা ‘সেভেন আর্টস্ ইন্টারন্যাশনাল’। কী অভিযোগ করেছেন প্রযোজক জি.পি বিজয়কুমার?
বিজয়কুমারের অভিযোগ, “‘হেরা ফেরি’ ছবি তৈরির সব স্বত্ব আমার কেনা। ‘রামোজি রাও স্পিকিং’ ছবির প্রযোজকের থেকে স্বত্ব কিনেছিলাম আমি। ওঁরা আমাকে বলেছিলেন ফিরোজ়কে একটিমাত্র হিন্দি ছবি তৈরির স্বত্ব দেওয়া হয়েছিল। যে ছবি মুক্তি পেয়েছিল ২০০৬-এ। অর্থাৎ ওই ছবির কোনও সিক্যুয়েল বা প্রিক্যুয়েল তৈরি করার অনুমোদন ছিল না ওই প্রযোজকের কাছে।”
তা হলে ‘হেরা ফেরি’র যখন সিক্যুয়েল তৈরি হয়, তখন কেন কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি অভিযুক্ত প্রযোজকের বিরুদ্ধে? এ প্রসঙ্গে, প্রযোজক বিজয়কুমার বললেন, “পরিচালক প্রিয়দর্শন আমাদের খুব কাছের মানুষ। যিনি প্রথম ছবিটা তৈরি করেন। দ্বিতীয় ছবি যখন তৈরি হয়ে যায় তখন আমরা কিছু বুঝতে পারিনি। অনেক পরে উপলব্ধি করি যে, এই কাহিনির সিক্যুয়েল তৈরির করার কোনও অধিকার ওঁদের নেই। কিন্তু তখন এতটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল, তাই মনে হয়েছিল যা হয়ে গিয়েছে তা নিয়ে আর ভেবে লাভ নেই। তার পরেই আমরা ‘হেরা ফেরি ৩’ তৈরি করব বলে অক্ষয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি।” এখান থেকেই যত সমস্যার সূত্রপাত।
‘হেরা ফেরি ৩’ তৈরির জন্য অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিজয়কুমার। সেখান থেকেই জানতে পারেন, ফিরোজ় নাকি আগেই ‘হেরা ফেরি’র স্বত্ব বিক্রি করে দিয়েছেন অক্ষয়ের প্রযোজনা সংস্থার কাছে। ফলে এখন প্রশ্ন, এক জনের কাছে যদি ছবি তৈরির স্বত্ব না-ই থাকে, তা হলে সেটা অন্যকে কী করে বিক্রি করলেন তিনি? এই প্রেক্ষিতে আদালতের কাছে আবেদন জমা করেছে বিজয়কুমারের প্রযোজনা সংস্থা ‘সেভেন আর্টস ইন্টারন্যাশনাল’। এ বার জল গড়ায় কোনদিকে, নজর থাকবে।