পর্দায় দাউদ হয়ে উঠতে কতটা সময় লাগত দানিশের? ছবি: সংগৃহীত।
মাত্র দু’দিনেই ‘ধুরন্ধর ২’ ছবির ব্যবসার পরিমাণ ঊর্ধ্বমুখী। দ্বিতীয় পর্বে পুরনো চরিত্রগুলি ফিরে এসেছে আবার। তবে, রণবীর সিংহের চরিত্র হামজ়ার ডায়েরিতে যে একটি চরিত্রের নাম বার বার দেখা গিয়েছে, তাকে নিয়েই ছিল জল্পনা। সেই চরিত্রের নাম ‘বড়ে সাহাব’। দাউদ ইব্রাহিমের চরিত্রে কে অভিনয় করবেন সেই নিয়ে জল্পনা ছিল। কিন্তু অভিনেতা দানিশ ইকবালের অভিনয় সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে। পর্দায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার হয়ে উঠতে কতটা সময় নিতেন দানিশ?
‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে দাউদের যে সময়কাল দেখানো হয়েছে সেই সময় তিনি বৃদ্ধ ও অসুস্থ। চোখে মুথে বলিরেখা, চুল উঠে গিয়েছে কয়েকটা সাদা চুল রয়েছে। হাতে পায়ের চামড়া কুচকে গিয়েছে, কথা বলতে গেলে শ্বাসের সমস্যা হয়। দাউদের পুরনো সেই প্রতাপ নেই। তিনি তখন শয্যাশায়ী। এমন একটি চরিত্রে নিজেকে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া সহজ ছিল না। দানিশের কথায়, ‘‘প্রতিদিন মেকআপ করতে সময় লাগত প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা। ওরকম ভারী প্রস্থেটিকস্ তুলতে সময় লাগত প্রায় চার ঘণ্টা।এমনকি, শুটিংয়ের দিনগুলোতেও আমি কিছুটা উদ্বেগে থাকতাম যে, শেষ পর্যন্ত কেমন হবে। কিন্তু হ্যাঁ, আমি পুরো প্রক্রিয়াটি দারুণ উপভোগ করেছি। আমাদের পরিচালক অনবদ্য, ভীষণ নম্র ব্যক্তি এবং দারুণ মানুষ। তিনি খুব ভাল করেই জানেন, কী ভাবে তাঁর অভিনেতাদের স্বাচ্ছন্দ্য দিতে হয়।”
রণবীর সিংহের সঙ্গে দানিশের একাধিক দৃশ্য রয়েছে। তাই তাঁর প্রশংসা করে দানিশ বলেন, ‘‘প্রাণশক্তিতে ভরপুর অসম্ভব পেশাদার একজন অভিনেতা। প্রস্থেটিকের পর রণবীর নিজে আমাকে দেখে অবাক হয়ে যায়। আসলে একজন অভিনেতাই বোঝেন অমন ভারী সাজ বহন করা কতটা ধৈর্যের বিষয়।’’