সংখ্যাতত্ত্ব হল একটি
প্রাচীন বিদ্যা। খুব নিখুঁত ভাবে জানা না গেলেও এর দ্বারা কোনও মানুষের চারিত্রিক
বৈশিষ্ট্য, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি নানা বিষয়ে জানতে পারা যায়। সব নারীই এমন একজনকে
সঙ্গী হিসাবে চান, যিনি
তাঁকে বুঝবেন, সম্মান করবেন, কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকবেন। আর
এ কথা বিশেষ ভাবে প্রযোজ্য ২
জন্মসংখ্যার জাতিকাদের ক্ষেত্রে। কারণ, এঁরা প্রচণ্ড আবেগপ্রবণ এবং সহানুভূতিশীল
হন বলে জানিয়ে থাকে সংখ্যাশাস্ত্র। এঁদের ভালবাসা নিঃস্বার্থ হয় বলে প্রচলিত
বিশ্বাস। তাই, কোনও পুরুষের ভালবাসার নারীর জন্মসংখ্যা যদি ২ হয়, সে ক্ষেত্রে
বিশেষ কয়েকটি পরামর্শ দিয়ে থাকেন সংখ্যাতত্ত্ববিদেরা। সেগুলি হল—
-
অনুভূতিকে মর্যাদা
দিন: সংখ্যাশাস্ত্র মতে,
২ সংখ্যার জাতিকারা মন প্রায় পড়ে ফেলতে পারেন। কোনও কথা খুলে বলার আগেই এঁরা তা বুঝে
ফেলার ক্ষমতা রাখেন। অতিরিক্ত সংবেদনশীল হওয়ার কারণেই এটি হয় বলে মনে করা হয়। তাঁদের সেই আবেগকে
মূল্য দিন, তবে তাঁর সুফলই পাবেন বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদেরা।
-
আচরণ ভাল রাখুন: এই
নারীরা চাঁদের দ্বারা প্রভাবিত, তাই এঁরা শান্তিপ্রিয়, কোমল স্বভাবের হন। কোনও বিষয়ে
যদি মতানৈক্য বা মনোমালিন্য হয়, তবে ঠান্ডা মাথায় আলোচনা করে সে সবের সমাধান করুন।
কোনও ভাবেই এঁদের সঙ্গে উঁচু স্বরে কথা বলা বা ঝগড়াঝাঁটি করা চলবে না বলে জানাচ্ছে
সংখ্যাতত্ত্ব। কেননা, এর ফলে এঁরা খুব আঘাত পেতে পারেন, এবং এক বার যদি এঁদের মন
ভেঙে যায়, তবে সহজে সে ক্ষত সারে না বলেই মনে করা হয়।
-
স্থিতিশীল
থাকুন: সংখ্যাতত্ত্ব অনুসারে, প্রেমে এই নারীরা অত্যন্ত একনিষ্ঠ হন, সঙ্গীকে
গুরুত্বও দেন। দীর্ঘ কাল যদি এঁদের অবহেলা করতে থাকেন, এঁদের কথায় গুরুত্ব না দেন,
তবে একটা সময় পরে এঁরাও ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। কখন যে ধীরে
ধীরে এঁদের মন থেকে ভালবাসা মুছে যাবে, তা সঙ্গী টেরও পাবেন না বলে আশঙ্কা করা হয়।