বাস্তুবিদদের মতে, বাড়িতে কোনও কারণে ইতিবাচক শক্তির
ভারসাম্য নষ্ট হলে তার প্রভাব পড়ে পরিবারেও। কখনও দেখা যায় সামান্য কারণে
সদস্যদের মধ্যে বনিবনার অভাব ঘটছে, মনোমালিন্য তৈরি হচ্ছে।
কখনও আবার যথেষ্ট উপার্জন থাকা সত্ত্বেও সঞ্চয় হয় না। কর্মক্ষেত্রেও নানা সমস্যা
দেখা দেয়, যথেষ্ট পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পদোন্নতি হয় না।
ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় মনোযোগ থাকে না, পরীক্ষার ফল ভাল
হয় না। বাড়ির ভিতরে রাখা গাছপালা শুকিয়ে যেতেও দেখা দেয়। এই সমস্যার প্রতিকার
হিসাবে কয়েকটি উপায়ের কথা বলেছেন বাস্তুবিদেরা। সেগুলি কী কী জেনে নিন—
- বাস্তু
বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল
দরজা হল বাড়ির ‘মুখ’। সেখান দিয়েই বাড়ির ভিতরে ইতিবাচক স্পন্দন, সূর্যালোক এবং হাওয়া প্রবেশ করে। বাস্তুবিদদের পরামর্শ, দরজার এক দিকে কলাগাছ এবং অন্য দিকে তুলসীগাছ পুঁতুন। এর ফলে নেগেটিভ
শক্তি প্রতিহত হবে এবং বাস্তুদোষ হ্রাস পাবে।
- পঞ্জিকা দেখে বা
পুরোহিতের কাছ থেকে একটি শুভ তিথি জেনে নিন। সেই তিথিতে তিনটি তামার মুদ্রাকে পুজো
করার পরামর্শ দিচ্ছেন বাস্তুবিদেরা। এর পর আলমারিতে যেখানে টাকা রাখেন, সেখানে সেগুলি রেখে দিন। এর ফলে ভাল
সঞ্চয় হবে বলে জানাচ্ছে জ্যোতিষশাস্ত্র। যে কোনও পূর্ণিমাতেও এটি করা যেতে পারে।
- প্রতি সন্ধ্যায়
শাঁখ বাজান। প্রচলিত বিশ্বাস, এর ফলে কোনও নেতিবাচক শক্তি বাড়ির আশপাশে ঘেঁষতে পারবে না। এ ছাড়া
তুলসীতলায় বা ঠাকুরের সামনে প্রদীপ জ্বালাতেও ভুলবেন না। শাস্ত্রবিদদের মতে,
এর দ্বারা তুষ্ট হন আরাধ্য দেবতা। বাড়ির সকলকে রক্ষা করেন।