Tanya Mittal

তাজমহলের বাগানের চা পান করেন, লন্ডনের বিস্কুট না পেলে কান্না জোড়েন! আর কী কী খান তানিয়া মিত্তল?

সম্প্রতি ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরেই তানিয়া দাবি করলেন, বিশেষ ধরনের চা-পাতা কিনতে তিনি দিল্লি যান। সেই চা-পাতা পাওয়া যায় তাজমহলের ঠিক পিছনের বাগানে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৮:০৬
Share:

তানিয়া মিত্তলের মন্তব্য শুনে অবাক নেটাগরিক। ছবি: সংগৃহীত।

তাজমহলের ঠিক পিছনের বাগানে তৈরি চা পান করেন। দাবি করলেন তানিয়া মিত্তল। ‘বিগ বস্‌ ১৯’-এর ঘরে নজর কেড়েছেন নেটপ্রভাবী। নিজেই জানিয়েছেন, অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন তাঁর। সবসময় তাঁর চারপাশে নিরাপত্তারক্ষীরা থাকেন।

Advertisement

সম্প্রতি ‘বিগ বস্‌’-এর ঘরেই তানিয়া দাবি করলেন, বিশেষ ধরনের চা-পাতা কিনতে তিনি দিল্লি যান। সেই চা-পাতা পাওয়া যায় তাজমহলের ঠিক পিছনের বাগানে। ‘বিগ বস্‌’-এর আর এক প্রতিযোগী নীলম গিরিকে তিনি জানান, কিছু বিষয় নিয়ে তিনি খুবই খুঁতখুঁতে। তানিয়া বলেন, “এখানে তো লোকজন আমার ব্যাপারে কিছুই জানে না। খুব সাদামাঠা থাকার চেষ্টা করি। আমি কফি পান করতে কোথায় যাই জানো? গ্বালিয়র থেকে যাই আগ্রা। সেখান থেকে কফি কিনি। কিন্তু পান করি না। কফিটা ঠান্ডা হতে হবে। তাই সঙ্গে আইসবক্স নিয়ে যাই। তার মধ্যে রাখা থাকে সেই কফি। সেই কফি আমি তাজমহলের পিছনে একটি বাগানের বেঞ্চে বসে পান করি।”

তানিয়া জানান, প্রতি মাসে এক ব্যক্তি তাঁকে লন্ডন থেকে বিশেষ ধরনের বিস্কুট এনে দেন। সেই বিস্কুট না পেলে তিনি নাকি কান্না জুড়ে দিতেন। তিনি বলেন, “আমি ডাল খেতে চাইলে, দিল্লির একটি হোটেল থেকেই কেবল খাই। অর্থাৎ কয়েক ঘণ্টার যাত্রাপথ পেরিয়ে আমি ডাল খাই। না হলে খাই না, ক্ষুধার্তই থাকি। রেগে গিয়ে আমার কর্মীদের সেই দিন ছুটি দিয়ে দিই। গ্বালিয়র থেকে দিল্লি যাই বিমানে। ডাল খেয়ে রাতে বাড়ি ফিরি।”

Advertisement

তানিয়ার এই মন্তব্যে অবাক হয়ে যান নীলম ও অনুষ্ঠানের দর্শক। তানিয়া পেশায় নেটপ্রভাবী। আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সমাজমাধ্যমে তাঁর প্রায় ২৫ লক্ষ অনুসরণকারী। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার করেন তিনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement