অভিনেত্রী কৃতিকা কামরা ও ক্রীড়া সঞ্চালক গৌরব কপূর। ছবি: সংগৃহীত।
সদ্য বিয়ে সেরেছেন অভিনেত্রী কৃতিকা কামরা ও ক্রীড়া সঞ্চালক গৌরব কপূর। এ বার বিয়েবাড়ির ‘ধকল’ কাটাতে নবদম্পতি পাড়ি দিয়েছিলেন উত্তর গোয়ায়। সেখান থেকেই একগুচ্ছ ছবি ভাগ করে নিলেন কৃতিকা। ছবিতে স্পষ্ট বিলাসবহুল হোটেলের ঝলক। জানেন, ওই হোটেলে প্রতি রাতের ঘরভাড়া কত?
ছবি পোস্ট করে কৃতিকা মজার ছলে ক্যাপশনে লেখেন, “প্রচণ্ড পার্টি করেছি এবং এখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি। মার্চ মাসটা কাজ দিয়ে শুরু করে বিয়ে সেরে রোদ-সাঁতার-খাওয়াদাওয়ায় কাটল। কাজে ফিরেছি। কিন্তু এখনও ভালবাসায় ডুবে আছি।” তবে অভিনেত্রীর পোস্টে নজর কেড়েছে হোটেলের নানা অংশের ছবি। মান্ডোবী নদীর ধারে এই হোটেল নতুন তৈরি হয়েছে গোয়ায়। সেখান থেকে নবদম্পতিকে যেন আরও স্নিগ্ধ দেখাচ্ছে।
প্রতি রাতের ঘরভাড়া ৩ লক্ষ টাকা। ছবি: সংগৃহীত।
উত্তর গোয়ার জনবহুল ও পর্যটকের ভিড় থেকে খানিক দূরে অবস্থিত এই হোটেল। বাগা সমুদ্রসৈকত থেকেও খানিক দূরেই এটি। ১৭টি ঘর রয়েছে এই হোটেলে। এটি মূলত ‘স্লো রিকভারি’র জন্য তৈরি। অর্থাৎ রোজকার দ্রুত জীবনযাপনের থেকে দূরে খানিক নিশ্চিন্ত হওয়ার জায়গা খোঁজেন যাঁরা, তাঁদের জন্য আদর্শ। বিশাল জানালা, ব্যক্তিগত ব্যালকনি থেকে সমুদ্র দেখাবে একেবারে ছবির মতো। এই হোটেলের মূল আকর্ষণ হচ্ছে প্রকৃতির অবিরাম দৃশ্য।
যদি পকেট ভারী হয় এবং গৌরব-কৃতিকার মতো ছুটি কাটাতে চান, তা হলে এই হোটেলের বিশেষ আকর্ষণ ‘মান্ডোবী স্যুইট’। প্রতি রাতের জন্য এর ভাড়া ৩ লক্ষ ৩ হাজার টাকা, কর ছাড়া। রিসর্টের অন্দরে এটি একটি ব্যক্তিগত এস্টেট। এতে রয়েছে দুটো শোওয়ার ঘর, একটি ব্যক্তিগত ‘লিভিং এরিয়া’, একটি ব্যক্তিগত প্যান্ট্রি। সারাদিনের জন্য একজন ব্যক্তি থাকেন যিনি অতিথির চাহিদা মুখ থেকে বার হওয়ার আগেই পূরণ করেন। কৃতিকা বেশ কিছু খাবারের ছবিও ভাগ করে নিয়েছেন। গোয়ার নিজস্ব খাবার পাওয়া যায়। রয়েছে ‘ওপেন বার’ও। বিমানবন্দর থেকে মোটামুটি ৪৫ মিনিট গাড়িতে বসলেই এই হোটেলে পৌঁছে যাওয়া যায়।