ফ্ল্যাট বিক্রি করে কত টাকা পেলেন কৃতি? ছবি: সংগৃহীত।
বহিরাগত হিসাবে শুরু হয়েছিল বলিউড সফর। সেখান থেকে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে জায়গা তৈরি করে ফেলেছেন কৃতি সেনন। সামনেই মুক্তি পাচ্ছে তাঁর ছবি ‘ককটেল ২’। হাতে আছে আরও কিছু কাজ। তবে গত কয়েক বছরে বেশ কিছু কাজ করলেও, বক্সঅফিসে সাফল্য সে ভাবে আসেনি। এ সবের মধ্যেই চার চারটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু কেন?
কিছু দিন আগে কৃতির বোন নূপুর সেনন বিয়ে করেছেন। এ বার দুই বোন ও তাঁদের মা, সকলে এক যোগে এই চারটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিলেন। জানা যাচ্ছে, চারটি ফ্ল্যাট মিলিয়ে তাঁরা মোট ৮.৯ কোটি টাকা পেয়েছেন। সম্পত্তি রেজিস্ট্রেশনের নথি খতিয়ে দেখে সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছে বহুতল নির্মাণ সংক্রান্ত একটি সংস্থা।
এই চার সম্পত্তির লেনদেনই ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। চারটি ফ্ল্যাটই ছিল মুম্বইয়ের বিলাসবহুল এলাকায়।
জানা যাচ্ছে, এই চারটি ফ্ল্যাটের মধ্যে দুটি বড় ফ্ল্যাটের দাম ছিল ৩.২৩ কোটি টাকা করে। এই ফ্ল্যাটগুলি নাকি আয়তনে ছিল ৬৫৪.২৩ বর্গফুট। সঙ্গে ছিল গাড়ি রাখার জায়গাও। এই দুটি ফ্ল্যাটের জন্য ১৯.৪১ লাখ টাকা করে স্ট্যাম্প ডিউটি এবং ৩০ হাজার টাকার রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। অন্য দুটি ফ্ল্যাট বিক্রি হয়েছে ১.২১ কোটি টাকা করে।
কৃতি ও নূপুর সেনন। ছবি: সংগৃহীত
তবে এই ফ্ল্যাট বিক্রির ফলে সেনন পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিনেত্রীর মা গীতা সেনন ২০১৩ সালের জুলাই মাসে দুটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন মোট ১.৪০ কোটি টাকায়। পরে ২০১৭ সালের জুন মাসে কৃতি এবং নূপুর অন্য দুটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন মোট ২.৯০ কোটি টাকা দিয়ে। হিসাব অনুযায়ী, ৯ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে এই সম্পত্তির দাম প্রায় ১০৭ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ এই ফ্ল্যাটগুলি বিক্রি করে বড় অঙ্কের লাভ করেছে কৃতির পরিবার।
উল্লেখ্য, আপাতত ‘ককটেল ২’-এর প্রচার নিয়ে ব্যস্ত কৃতি। ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল হোমি অদজানিয়ার ছবি ‘ককটেল’। অভিনয় করেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, সইফ আলি খান ও ডায়না পেন্টি। এ বারের ছবিতে ত্রয়ী— কৃতি, শাহিদ কপূর ও রশ্মিকা মন্দানা। অনেকেই দীপিকার সঙ্গে তুলনা করছেন কৃতির। ছবিটি মুক্তি পাবে ১৯ জুন।