শেষকৃত্য সম্পন্ন হল রাহুলের। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত
সম্পন্ন হল রাহুলের শেষকৃত্য। স্বামীর দাহকাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পরে বেরোলেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা। সঙ্গে ছিলেন সায়নী ঘোষ।
পরনে সাদা কুর্তি। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে দেখা গেল স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে। পাশে ছিলেন সায়নী ঘোষ, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়।
মহাশ্মশানে উপচে পড়া ভিড়। তার মাঝেই আটকে গিয়েছিলেন রাহুলের স্কুলের বন্ধুরা। যত ক্ষণে নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে কেওড়তলার ভিতরে ঢোকেন তাঁরা, তত ক্ষণে রাহুলকে দাহ করার জন্য নিয়ে চলে যাওয়া হয়।
কিছু ক্ষণেই শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া শুরু হবে। রাহুলের পরিবারের অনুরোধ মেনে গোটা বিষয়টাই ব্যক্তিগত পরিসরে সারা হবে। ছেলেকে নিয়ে শ্মশানে পৌঁছেছেন প্রিয়াঙ্কা।
কেওড়াতলায় পৌঁছোল রাহুলের মরদেহ। মহাশ্মশানেও উপচে পড়া ভিড়। শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত হয়েছেন আর্টিস্ট ফোরামের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়লেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী।
রাহুলের সঙ্গে সারা ক্ষণ ছায়াসঙ্গীর মতো থাকতেন বাবলু। তালসারিতেও অভিনেতার সঙ্গে ছিলেন তাঁর গাড়িচালক। শববাহী গাড়ি ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রাহুলের গাড়ির চালক।
পদযাত্রা করে রাহুলের শববাহী গাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কেওড়াতলার পথে। বামপন্থী সমর্থকদের কণ্ঠে এখন ‘জাগো জাগো সর্বহারা’ গান। পদযাত্রার নেতৃত্বে দীপ্সিতা ধর।
রাহুলের শববাহী গাড়ির সামনে বামকর্মী সমর্থকদের ভিড়। লাল সেলাম দিতে দিতেই অভিনেতাকে চিরবিদায়।
রাহুলের বাড়ি থেকে নিজের গাড়িতে করে বেরিয়ে গেলেন প্রিয়াঙ্কা। সঙ্গে ছিল তাঁদের ছেলে সহজ।
রাহুলের নিথর দেহ শায়িত বিজয়গড়ের বাড়িতে। সহ-অভিনেতাকে দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না রুকমা রায়। ভেঙে পড়লেন কান্নায়। ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকে তাঁদের প্রথম বার একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল।
রাহুলের বাড়ি থেকে বেরোলেন স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী এবং মিঠু চক্রবর্তী। রবিরাতে অভিনেতার বাড়িতে গিয়েছিলেন সব্যসাচী-মিঠুর বড় ছেলে গৌরব চক্রবর্তী এবং ঋদ্ধিমা ঘোষ।
বিজয়গড়ের অনন্যা অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বার করা হল রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মরদেহ। উপচে পড়া ভিড় সামলাতে ব্যস্ত অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।
রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ির নীচে জনসমুদ্র। উপচে পড়া ভিড় সামলাতে চারিদিকে ব্যারিকেড। ভিড় নিয়ন্ত্রণে কলকাতা পুলিশ।
অজিতকে শেষ বারের মতো দেখতে এল পর্দার ব্যোমকেশ। বাবা ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে রাহুলকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এলেন আবীর চট্টোপাধ্যায়।