প্রকৃতির রূপ ও বসন্তের আগমনের কথাই বলা রয়েছে ১৯৩১ সালে তৈরি এই গানে।
শান্তিনিকেতনে গানটি রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গানের স্বরলিপিকার দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
বসন্তকালে নতুন কুড়ি আসার বার্তা আছে এই গানে। প্রকৃতির সামগ্রিক রূপকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
শান্তিনিকেতনে বসে গানটি ১৯২৩ সালে তৈরি করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বেহাগ রাগ আর দাদরা তালের উপর তৈরি হয় এই গান।
প্রকৃতি ও প্রেমের গান। ফাগুনের আগমন, প্রকৃতির রঙিন রূপ, দোলের আনন্দকে ফুটিয়ে তোলে গানটি।
বাঙালির কাছে বসন্ত উৎসবের মাস হল ফাল্গুন। জনপ্রিয় এই রবীন্দ্রসঙ্গীতে তারই উদ্যাপন হয়েছে।
আশাবরী রাগ ও কাহারবা তালে নিবদ্ধ এই গানে বেদনাকে প্রকৃতির সমীরণের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার অনুভূতি ফুটে উঠেছে।
প্রেম পর্যায়ের গান। পুরোনো প্রেম বা স্মৃতি বিলীন হয়ে যাওয়া এবং প্রকৃতির মাঝে তা নতুন রূপ পাওয়ার আকুতি ফুটে ওঠে।
প্রকৃতি পর্যায়ের নব ফাল্গুনের গান। শচীন দেব বর্মণের অন্যতম প্রিয় এই গান পরবর্তীতে ‘অভিমান’ ছবিতেও ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রেম পর্যায়ের গান। তবে বসন্তের অনুসঙ্গ রয়েছে এই গানে।