Hiraan Chatterjee Marriage Controversy

বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন হিরণের প্রথম স্ত্রী? কী উত্তর দিলেন অনিন্দিতা?

ছড়িয়ে পড়েছে, অভিনেতার প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা নাকি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন। সত্যিই কি ভোটের মধ্যে বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তিনি?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২৩
Share:

হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করলেন? ছবি: সংগৃহীত।

ভোটপ্রচারে ব্যস্ত বিজেপি বিধায়ক তথা অভিনেতা হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি, হিরণের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিপুল জলঘোলা হয়েছে। প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দূরত্ব, ঋতিকা গিরির সঙ্গে বিয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই মুহূর্তে হাওড়ার শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে প্রচার চালাচ্ছেন হিরণ। তার মধ্যেই অভিনেতার বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা।

Advertisement

ছড়িয়ে পড়েছে, অভিনেতার প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন। সত্যিই কি ভোটের আবহে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তিনি? আনন্দবাজার ডট কম-কে অনিন্দিতা বলেন, “ভুল খবর রটছে। এখনই আমি ডিভোর্স ফাইল করিনি। তবে যেহেতু বিষয়টা আইনের অধীনে, তাই এখনই আর কিছু বলতে পারছি না। তবে কিছু পদক্ষেপ করব। নমিনেশন ফাইলে তো সেই আমার নামই দিতে হবে স্ত্রীর জায়গায়। ইতিমধ্যেই ‘ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল’ চেয়েছে আমার থেকে।”

বিজেপির তরফে যখন প্রথম দফার প্রার্থীতালিকা প্রকাশিত হয়েছিল, সেই সময়ে হিরণের নাম ছিল না। খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল দিলীপ ঘোষের নাম। তাতেই সবার মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল। কারণ, গত বিধানসভা নির্বাচনে এই খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন হিরণ। প্রশ্ন উঠেছিল, তা হলে কি এই বারে টিকিট পেলেন না হিরণ? কারণ তার আগেই , ঋতিকার সঙ্গে হিরণের বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। তার পরেই বিধায়কের বিরুদ্ধে একের পর এক ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী। আনন্দপুর থানায় গিয়ে তিনি হিরণের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল, হিরণের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৪৯৪ ধারা (স্বামী বা স্ত্রী বেঁচে থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ আবার বিয়ে করেন। শাস্তি হতে পারে সাত বছর পর্যন্ত জেল বা জরিমানা অথবা দুটোই) ও ৪৯৮এ ধারায় (বিবাহিত মহিলার উপর স্বামীর নির্যাতন এবং গার্হস্থ্য হিংসা। হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত জেল এবং জরিমানা) মামলা দায়ের করা হয়।

গত ২৮ জানুয়ারি, হিরণের আইনজীবী দ্রুত শুনানি চেয়ে বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল বর্তমানে একজন বিধায়ক। তাই হিরণের আগাম জামিনের জন্য দ্রুত শুনানির আর্জি জানান তিনি। তার পরে ১১ ফেব্রুয়ারি, বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে আগাম জামিন মঞ্জুর হয় হিরণের। নির্দেশ দেওয়া হয়, প্রতি ১৫ দিন অন্তর এক বার করে তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement