শেষযাত্রায় পরিচালক অনীক দত্ত। নিজস্ব চিত্র।
শুক্রবার, সকাল ৯টা। গ্রীষ্মের শহরে রোদের তেজ বাড়ছে ধীরে ধীরে। সেই সঙ্গে কলকাতার নন্দন চত্বরে আস্তে আস্তে জমছে ভিড়। পরিচালক অনীক দত্তকে শেষ বারের মতো দেখার জন্য উদ্গ্রীব তাঁর অনুরাগীরা। বুধবার আচমকাই আসে পরিচালক অনীকের দুর্ঘটনার খবর। পরে হাসপাতালের তরফে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এখনও তাঁর চলে যাওয়া মন থেকে মানতে পারছেন না অনেকে।
অনীকের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান রুদ্রনীলের। নিজস্ব চিত্র।
সমাজমাধ্যমে চোখ রাখলে তা আরও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যায়। বৃহস্পতিবার ‘পিস ওয়ার্ল্ড’-এ রাখা ছিল পরিচালকের দেহ। মেয়ে ঐশী দত্ত বিদেশ থেকে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন সকলে। তার পরেই শেষকৃত্য হওয়ার কথা। সেই মতো শুক্রবার সকালে নন্দনে নিয়ে আসা হল অনীকের নিথর দেহ। নন্দনের মূল দরজার সামনে বড় ফ্রেমে অনীকের ছবি। ফুলে মোড়া চারিদিক। সেই ছবির সামনেই এসে দাঁড়াল তাঁর শববাহী গাড়ি। পরিবারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, গাড়ি থেকে বার করা হবে না প্রয়াত পরিচালককে। গরমে সমস্যা হতে পারে, তাই এই সিদ্ধান্ত।
নন্দন চত্বরে অঞ্জন বসু, রুদ্রনীল ঘোষ। নিজস্ব চিত্র।
কেউ মালা বা ফুল দিতে চাইলে ছবির সামনে দিতে পারেন। শেষযাত্রায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, অঞ্জনা বসু, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, প্রযোজক ফিরদৌসল হাসান, পাপিয়া অধিকারী-সহ অনেকেই। প্রথম থেকেই সবকিছুর তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ।