Agitation Of Singer

‘ইন্দ্রনীল, শিবাজিদের স্নেহে কিছু গায়ক একচেটিয়া’! ফোরাম গড়ে এ বার কি পথে কণ্ঠশিল্পীরা?

এই ফোরামের নেতৃত্বে কণ্ঠশিল্পী দোলা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আনন্দবাজার ডট কম-কে জানিয়েছেন, জনপ্রিয় শিল্পীদের দাপটে ম্লান অনেকে। কারণ, তাঁরা সরকারঘনিষ্ঠ ছিলেন না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ২০:২৭
Share:

এ বার পথে বিক্ষুব্ধ কণ্ঠশিল্পীরা? শিল্পী: সংগৃহীত।

প্রযোজকদের দিয়ে প্রতিবাদের শুরু। নতুন সরকার আসতেই একদল বিক্ষুব্ধ প্রযোজকের দাবি, তাঁদের সংগঠনের নতুন কমিটি গড়তে হবে। গত দু’দিন ধরে নাগাড়ে প্রতিবাদী সহকারী পরিচালক, রূপটানশিল্পীরাও। এ বার কি সেই পথে হাঁটতে চলেছেন তুলনায় কম পরিচিত কণ্ঠশিল্পীরাও?

Advertisement

খবর, ৫০০ বিক্ষুব্ধ কণ্ঠশিল্পী মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবাদ জানাতে শামিল হচ্ছেন বাংলা আকাদেমির সামনে। একটি ফোরামও গঠন করেছেন তাঁরা। পুরোভাগে কণ্ঠশিল্পী দোলা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আনন্দবাজার ডট কম কথা বলেছিল তাঁর সঙ্গে। আগের সরকার সরতেই প্রতিবাদের ঢেউ শহরে। সকলেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুষছেন। উগড়ে দিচ্ছেন না-পাওয়ার ক্ষোভ। এটাই কি এখন ‘ট্রেন্ড’? দোলার কথায়, “সরকারঘনিষ্ঠ নই বলে আমরা এমনিতেই কাজ পাই না। সেই সময়ে মুখ খুললে হয়তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতাম!” তিনি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী এবং শিল্পী ইন্দ্রনীল সেন, শিবাজি চট্টোপাধ্যায়ের মতো গায়কের দিকে। জানিয়েছেন, এঁদের স্নেহচ্ছায়ায় যাঁরা ছিলেন, তাঁরা একের পর এক সরকারি অনুষ্ঠানে গাইবার সুযোগ পেতেন। “রবীন্দ্রসদনে যা যা অনুষ্ঠান হয়েছে, সেখানে আমরা ব্রাত্য ছিলাম এত বছর ধরে।” অথচ দোলা এবং বাকি শিল্পীরা নাকি একটা সময় প্রচুর মঞ্চানুষ্ঠান করতেন!

Advertisement

তাঁর মতো বর্ষীয়ান শিল্পীর বিরুদ্ধে হঠাৎ অভিযোগ। কী বলছেন শিবাজি চট্টোপাধ্যায়?

আনন্দবাজার ডট কম-কে তিনি বলেন, “১৯৯৭ সালে, বাম আমলে শিল্পীরা মিলে ‘সঙ্গীতমেলা’ শুরু করি। তখন বিষয়টি আমাদের হাতে ছিল। সদস্যসংখ্যা ছিল মাত্র ১৫০। তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে সেই সংখ্যা বেড়ে হল ৫০০। তখন কী করে সবাইকে সুযোগ দেব আমরা।” বাকি সরকারি অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে শিল্পীর দাবি, “সরকার যাঁদের মনোনীত করত, তাঁরাই সুযোগ পেতেন। এখানে আমাদের হাত ছিল না। তবে বেশ কিছু কমবয়সি শিল্পী কিন্তু ঘুরিয়েফিরিয়ে সুযোগ পেয়েছেন।” তিনি এ-ও যোগ করেন, দোলা তাঁকে অনেক বার অনুষ্ঠানে যোগদানের সুযোগ করে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু ‘সঙ্গীতমেলা’ ছাড়া ‘শ্রদ্ধাঞ্জলি’ বা অন্য সরকারি অনুষ্ঠানে তাঁর কোনও হাত ছিল না।

এই জায়গা থেকেই দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় বা লোকসঙ্গীতশিল্পী দেবপ্রিয়া বিশ্বাস বা পুরাতনী গানের শিল্পী দেবশ্রী মুখোপাধ্যায়ের আবেদন নতুন বিজেপি সরকারের কাছে। আগামী দিনে খ্যাতনামীদের আড়ালে থাকা শিল্পীরা যেন সামনে এগিয়ে আসার সুযোগ পান। সরকার যেন সেই দিকটা দেখে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement