রোদে মাথা যন্ত্রণা? স্নায়ু আরাম পাবে এসেনশিয়াল অয়েলের গুণেই। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
চড়া রোদ, আর্দ্রতা। সব মিলিয়ে নাজেহাল অবস্থা। বাইরে বেরোতে না বেরোতেই ঘেমেনেয়ে একসা! তপ্ত দিনে চট করেই মাথা গরম হয়ে যায়। মেজাজ চড়ে যায় সপ্তমে। গরমের জন্য অস্বস্তিও হয়। এমন সময় মাথা ঠান্ডা করতে পারে এসেনশিয়াল অয়েল। ব্যবহার করবেন কোনটি, সেই পন্থাই বা কী?
পেপারমিন্ট অয়েল
পুদিনা পাতা গরমের দিনে পেট ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। তবে পুদিনা পাতার নির্যাস থেকে তৈরি মিন্ট অয়েলও কিন্তু কম যায় না। স্নায়ুকে শান্ত করে, মাথা ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। গরমে রোদের তাপে মাথা ধরে যায়, কখনও অস্বস্তি বোধ হয়। জলে কয়েক ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। ঘাড়ে অথবা কব্জিতে যে খানে হৃদ্স্পন্দন বোঝা যায়, সেখানে স্প্রে করুন। নিমেষে আরাম বোধ হবে। কষ্ট কমবে।
খস
খসের নির্যাসযুক্ত এসেনশিয়াল অয়েল গরমের জন্য স্বস্তিদায়ক। ভেটিভার নামক ঘাসের শিকড় থেকে তৈরি হয় খস। ঘর ঠান্ডা রাখার জন্য খসের পর্দা ব্যবহার হয়। এই ঘাসের শিকড় থেকে তৈরি এসেনশিয়াল অয়েল স্নায়ুকে শান্ত করতে সাহায্য করে। সামান্য একটু এসেনশিয়াল অয়েল অন্য কোনও তেলে মিশিয়ে নিন। তুলোয় অল্প সেই তেল নিয়ে শরীরের যে যে অংশে হৃদ্স্পন্দন অনুভব করা যায়, সেই পাল্স পয়েন্টে লাগিয়ে নিন।
ল্যাভেন্ডার
উদ্বেগ কমিয়ে মন শান্ত করতে ল্যাভেন্ডার অয়েলও ব্যবহার করা যায়। কর্টিসল বাস্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ কমাতে সাহায্য করে এটি। এর মৃদু গন্ধ স্নায়ুর উত্তেজনা কমাতেও সাহায্য করে। অ্যালো ভেরা জেলে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার এসেনিশয়াল অয়েল মিশিয়ে ফ্রিজে রাখুন। সেই ঠান্ডা জেলই ব্যবহার করতে পারেন ত্বকে-ঘাড়ে। তবে কারও কারও ল্যাভেন্ডার অয়েলে অ্যালার্জি হয়। তা পরখ করার জন্য এক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল হাতে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করুন। কোনও চুলকানি বা র্যাশ না বেরোলে তা ব্যবহার করতে পারেন।