পুরুষ হোন বা মহিলা কিংবা শিশু, সকলের জন্যই আয়রন গুরুত্বপূর্ণ। একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের যেখানে প্রতি দিন ৮ মিলিগ্রাম আয়রনের প্রয়োজন, সেখানে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার শরীরে প্রতি দিন আয়রনের প্রয়োজন ১৮ মিলিগ্রাম। গর্ভাবস্থায় আয়রনের প্রয়োজন হয় আরও বেশি। ঋতুচক্র স্বাভাবিক রাখতে, গর্ভাবস্থায় প্লাসেন্টার গঠন ঠিক রাখতে, শরীর সুস্থ রাখতে আয়রনের দরকার পড়ে। আয়রনের অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
আয়রনের ঘাটতি পূরণে চিকিৎসকেরা সাপ্লিমেন্ট দেন। তবে সব সময় সাপ্লিমেন্টের উপর ভরসা না করে, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন খাবারও জোড়া যায়, যা আসলে আয়রনে পরিপূর্ণ। আমিষ-নিরামিষ সব ধরনের খাবারই রাখতে পারেন তালিকায়।
আমিষ
মুরগির মাংস, পাঁঠার মাংস, মেটে, ডিম, চিংড়ি, ম্যাকারেল-সহ একাধিক সামুদ্রিক মাছ।
শাক
পালংশাক, অমরনাথ, সজনেপাতা, পুদিনা, কচুশাক, ধনেপাতা।
সব্জি
রাঙা আলু, ব্রকোলি, পেঁয়াজকলি, কুমড়ো, বাঁধাকপি।
ডাল, দানাশস্য
ছোলা, মুসুর, মুগ রকমারি ডাল, সয়াবিনের দানা, কালো বিউলি।
ফল
খেজুর, কিশমিশ, অ্যাপ্রিকট, বেদানা, তরমুজ, স্ট্রবেরি।
বীজ
তিসি, চিয়ার মতো বীজেও আয়রন পাওয়া যায়।