immunity booster Summer fruit

গরমের কোন কোন ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাবৃদ্ধিতে সিদ্ধহস্ত, কোন ৫ ফল নিয়ম করে খাবেন?

গ্রীষ্মকাল মানেই এ দেশে নানা রকমের রসালো ফলের সম্ভার। তীব্র গরমে শরীর যখন জলাভাবে ভোগে এবং নানাবিধ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, তখন ফলগুলোই হয়ে উঠতে পারে শরীরের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:২৬
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

গ্রীষ্মের দাবদাহে ইতিমধ্যেই ক্লান্ত হয়ে পড়তে শুরু করেছে শরীর। সকালের রোদে ১০-১৫ মিনিট টানা বাইরে থাকলেই মাথা ঝনঝন করতে শুরু করছে, আর তার জের থাকছে দিনভর। এমন পরিস্থিতিতে শরীরের জোর বৃদ্ধি করতে কাজে লাগতে পারে কিছু ইমিউনিটি বুস্টার ফল। এমন ফল যা খেলে শরীর রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা পাবে।

Advertisement

গ্রীষ্মকাল মানেই এ দেশে নানা রকমের রসালো ফলের সম্ভার। তীব্র গরমে শরীর যখন জলাভাবে ভোগে এবং নানাবিধ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, তখন ফলগুলোই হয়ে উঠতে পারে শরীরের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ।

১. কাঁচা বা পাকা আম

Advertisement

গ্রীষ্ম মানেই কাঁচা এবং পাকা আম। কাঁচা আম দিয়ে ডাল বা চাটনি খাওয়ার চল বাংলার ঘরে ঘরে। ক’দিন পর থেকে পাকা আমও আসবে। বাজারে ইতিমধ্যেই অন্য প্রদেশের পাক আম চলে এসেছে। আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ, যা শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মজবুত করে। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরকে ‘হিট স্ট্রোক’ থেকেও বাঁচায়।

২. বেল

Advertisement

বৈশাখের দুপুরের পেট ঠান্ডা করা পানীয় বললে ‘বেলের শরবত’-এর কথাই মাথায় আসে। এটি ফাইবার এবং ভিটামিন সি-র একটি দারুণ উৎস। পেটের স্বাস্থ্য ভাল থাকলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতেই বেড়ে যায়। বেল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নির্মূল করে শরীরকে ভেতর থেকে সুরক্ষিত রাখে।

৩. জামরুল

জামরুল দেখতে যেমন সুন্দর, এর গুণাগুণও তেমনই বেশি। এতে প্রচুর জল থাকায় এটি শরীরকে আর্দ্র রাখে। জামরুলে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বকের সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে।

৪. লিচু

বৈশাখের শেষের দিক থেকে লিচুর দেখা মেলে বাজারে। এতে থাকা ওলিগনল নামক উপাদান ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। লিচুতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের সাধারণ সর্দি-কাশি ও জ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা জোগায়।

৫. তরমুজ

তরমুজে রয়েছে লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ। যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে কোষকে সুরক্ষিত রাখে। ফলে রোগভোগ থাকে দূরে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement