Summer Fruit for Diabetic

আম, জাম নাকি লিচু? গ্রীষ্মের কোন ফলটি ডায়াবিটিসের রোগীরা দুর্ভাবনা ছাড়াই খেতে পারেন?

ফল নির্বাচনের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা মূলত ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং গ্লাইসেমিক লোড এর ওপর জোর দেন। যে ফলের জিই যত কম, তা রক্তে শর্করার মাত্রা তত ধীরগতিতে বৃদ্ধি করে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬ ১৭:২৮
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

গ্রীষ্মকাল মানেই আম-জাম-লিচুতে ভরা বাজার। সুস্বাদু ফলের ভক্তসংখ্যাও কম নয়। কিন্তু ফল খেতে ভালবাসলেই তো হল না, স্বাস্থ্যের খেয়ালও রাখতে হয়। বিশেষত ডায়াবিটিস রোগীদের খাওয়াদাওয়ার ক্ষেত্রে মেনে চলতে হয় অনেকরকম নিয়ম। একটু এ দিক থেকে ও দিক হলেই রক্তে শর্করার মাত্রার বিপজ্জনক ওঠাপড়া অসুস্থ করে তুলতে পারে শরীর। তাই কোন ফল খাওয়া যাবে আর কোনটি বাদ দিতে হবে, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন। গরমের এই সময়ে সুস্বাদু নানা ফলের মধ্যে কোনটি বেছে নেবেন, তা জেনে নিন।

Advertisement

ফল নির্বাচনের ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা মূলত ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং গ্লাইসেমিক লোড এর ওপর জোর দেন। যে ফলের জিই যত কম, তা রক্তে শর্করার মাত্রা তত ধীরগতিতে বৃদ্ধি করে।

শর্করার মাত্রায় আম, জাম ও লিচুর প্রভাব

Advertisement

আম : আমের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স মাঝারি। প্রায় ৫১ থেকে ৫৬। এতে প্রাকৃতিক চিনি বা ফ্রুক্টোজের পরিমাণ বেশ বেশি থাকে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা আম একবারে নিষিদ্ধ না করলেও, বেশি খেতে পারবেন না। দিনে বড়জোর এক বা দু’টুকরো (১০০ গ্রামের কম) খাওয়া যেতে পারে, তবে তা-ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই।

লিচু: লিচুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স আমের থেকেও বেশি। প্রায় ৫৭। এটিও রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। অতিরিক্ত লিচু খেলে হঠাৎ সুগার স্পাইক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই ডায়াবিটিস রোগীদের লিচু খাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ রাখা উচিত।

জাম : আম বা লিচুর তুলনায় ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য জাম অনেক বেশি নিরাপদ। জামের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স ২৫-এর কাছাকাছি, যা অত্যন্ত কম। তা ছাড়া জামে রয়েছে ‘জাম্বোলিন’ নামের এক বিশেষ ধরনের যৌগ, যা স্টার্চ বা শর্করাকে রক্তে চিনিতে রূপান্তরিত হতে দেয় না। ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সরাসরি সাহায্য করে। তাই গ্রীষ্মে ডায়িবিটিসের রোগীরা জামেই রসনা তৃপ্ত করতে পারেন।

যা মনে রাখবেন

যেকোনও ফলই ডায়েটে যোগ করার আগে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া উচিত। কারণ, ব্যক্তিভেদে খাবার আলাদা আলাদা প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement