এসি থেকেও ছড়াতে পারে অ্যাসপারজিলাস, সতর্ক থাকার উপায় কী? ছবি: ফ্রিপিক।
ছত্রাকের সংক্রমণ নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। দেশের নানা জায়গায় অ্যাসপারজিলাস ছত্রাকের সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। করোনার পরেও এই ছত্রাকটির নাম শোনা গিয়েছিল। যেমন-তেমন ছত্রাক নয়, যা থেকে শুধু সর্দিকাশি, গলায় ব্যথা বা ডায়েরিয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র তালিকায় এই ছত্রাককে মারাত্মক বলেই উল্লেখ করা হয়েছ। এক বার শরীরে এই ছত্রাকের রেণু ঢুকলেই তা হার্ট, কিডনি, ফুসফুসের উপর প্রভাব ফেলতে শুরু করবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি দুর্বল হলে প্রাণ নিয়ে টানাটানিও হতে পারে।
কী ভাবে ছড়ায় অ্যাসপারজিলাস?
ধুলোবালি, দূষণ থেকে ছড়াতে পারে এই ছত্রাক। আবার পচা খাবার, আবর্জনা থেকেও ছড়াতে পারে। এর সংক্রমণ ঘটলে অ্যাসপারজিলোসিস নামে ফুসফুসের রোগ হয়, যাতে যক্ষ্মা বা হাঁপানির মতোই উপসর্গ দেখা দেয়। আবহাওয়ার বদলের সময়ে এই ছত্রাকের উৎপাত বাড়ে ঠিকই, তবে দূষণের মাত্রা বাড়লেও এর প্রকোপ বাড়তে থাকে।
কী ভাবে সাবধানে থাকবেন?
নির্মাণকাজ যেখানে হচ্ছে, ধুলোবালি বেশি, সে সব জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে।
ঘরের বাতানুকূল যন্ত্রটির ফিল্টার সময়ান্তরে পরিষ্কার করতে হবে। না হলে এসি থেকেও এই ছত্রাক ছড়িয়ে পড়ত পারে। বদ্ধ ঘরে এসির হাওয়ায় ছত্রাকের রেণু শ্বাসের সঙ্গে ঢুকে যেতে পারে ফুসফুসে।
বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে এর উপদ্রব বাড়ে। তাই সব সময়ে পরিচ্ছন্ন পোশাক পরে থাকা, পরিচ্ছন্নতার বিধি মেনে চলা জরুরি। ঘমে ভেজা পোশাক দীর্ঘক্ষণ পরে থাকবেন না। নিয়মিত স্নান করা, খাওয়ার আগে হাত ধোয়াও জরুরি।
হাঁপানি বা সিওপিডি থাকলে, অনেক বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। স্টেরয়েড নেন যাঁরা, তাঁদেরও এই ছত্রাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
ফুসফুসের রোগ আগে থেকে থাকলে বা অত্যধিক ধূমপান করলেও অ্যাসপারজিলোসিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।