Exercises for Bloating

পয়লা বৈশাখে জমিয়ে ভূরিভোজের পরে গ্যাস-অম্বলের ধাক্কা সামলাতে কার্যকরী হবে ৩ সহজ আসন

পয়লা বৈশাখ মানেই জমিয়ে আড্ডা ও খাওয়াদাওয়া। সে বাড়িতে কব্জি ডুবিয়ে চর্ব-চোষ্য খান বা রেস্তরাঁয়— ডায়েটের তেমন ধার ধারেন না কেউই। আর ভূরিভোজ মানেই ভুঁড়ি বাড়বে অবধারিত ভাবেই। জল খাওয়া কম হবে। তাতেই অম্বল, গ্যাসের সমস্যা নাজেহাল করে দেবে। শরীর কাহিল হয়ে পড়বে। কেবল ওষুধ খেলে এ অস্বস্তি যাবে না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪৭
Share:

চর্ব-চোষ্য খেয়ে অম্বলের ধাক্কা সামলাতে ওষুধের চেয়েও কার্যকরী হবে ব্যায়াম। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

পয়লা বৈশাখের দিন ডায়েটের ধার ধারবেন না কেউই। নববর্ষ মানেই দেদার খাওয়াদাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা আর দিনভর ঘোরাঘুরি। আর ভূরিভোজ মানেই ভুঁড়ি বাড়বে অবধারিত ভাবেই। জল খাওয়া কম হবে। নরম পানীয়ে গলা ভেজাবেন অনেকে। তাতে মন উৎফুল্ল হলেও, শরীর সায় দেবে না। ফলে সন্ধ্যা গড়াতেই ডিহাইড্রেশন, পেটের গোলমাল বা গ্যাস-অম্বলে শরীর কাহিল হয়ে পড়বে। এমনিতেও বাইরে ভাল-মন্দ খাওয়াদাওয়া হবে। ঘরেও জমিয়ে হবে ভূরিভোজ। তাই গ্যাস-অম্বল নিয়ন্ত্রণে না রাখলে মুশকিল। একদিনের হুল্লোড়ের পরে বাকি দিনগুলিতে শারীরিক অস্বস্তি বাড়বে। কেবল ওষুধে এ সমস্যার সমাধান হবে না। তাই গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা পাকাপাকি নির্মূল করতে অভ্যাস করতে পারেন সহজ কিছু যোগাসন।

Advertisement

কব্জি ডুবিয়ে খেয়ে করুন বজ্রাসন

প্রথমে সোজা হয়ে বসুন। মাটিতে ম্যাটের উপর বা খাটের উপরেও বসতে পারেন। শুরুতে সামনের দিকে পা ছড়িয়ে দিন। এ বার একটি করে পায়ে হাঁটু মুড়ে তার উপর বসুন। গোড়ালি জোড়া করে রাখুন। শিরদাঁড়া সোজা করে বসুন। হাত দুটো ঊরুর উপর টানটান করে রাখুন। স্বাভাবিক ভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিন। কিছু ক্ষণ এই ভঙ্গিতে বসুন। এই আসনটি শরীরে অতিরিক্ত মেদের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। অম্বল-বুক জ্বালার সমস্যা দূর করতে পারে। আসনটি সঠিক ভাবে করতে পারলে বদহজমের সমস্যাও দূর হবে।

Advertisement

অতিরিক্ত গ্যাস-অম্বল হলে করুন সিটেড পবনমুক্তাসন

চেয়ারে বসেই করা যাবে আসন। প্রথমে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। ঘাড়, পিঠ ও মাথা সোজা থাকবে। চেয়ারে হেলান দিলে হবে না। এ বারে ডান পায়ের হাঁটু ভাঁজ করে ঊরু বুকের কাছে আনার চেষ্টা করুন। দুই হাত দিয়ে ভাঁজ করা পা হাঁটুর ঠিক নীচ থেকে চেপে যতটা সম্ভব বুকে ঠেকানোর চেষ্টা করুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে মাথা হাঁটুর কাছে আনতে হবে। এই অবস্থানে ২০-৩০ সেকেন্ড থাকার চেষ্টা করুন। শ্বাস নিতে নিতে দুই হাত ছেড়ে দিয়ে ঘাড় পিঠ সোজা করে ডান হাঁটু নীচে নামান। একই পদ্ধতি বাঁ হাঁটু বুকের কাছে তুলুন। প্রতিটি পায়ে ২০ সেকেন্ড করে পাঁচ সেটে আসনটি অভ্যাস করতে হবে।

Advertisement

অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা থাকলে করতে পারেন সেতুবন্ধাসন

ম্যাটের উপরে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত দু’পাশে রাখুন। এ বার হাঁটু ভাঁজ করে পা মুড়ে দুই পায়ের পাতা নিতম্বের কাছে আনুন। পিঠ ও কোমরের উপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে কোমর উপরে তুলুন। ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ডের মতো থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন। পেটে ব্যথা, কোমরের যন্ত্রণা দূর করতে পারে এই আসন। নিয়মিত অভ্যাসে গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও দূর হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement