Eye Precautions when Travelling

বেড়াতে যাওয়ার সময় ওষুধ সঙ্গে নেন, তবে চোখের সুরক্ষার কথা মাথায় থাকে কি? কেন তা জরুরি

বেড়ানোর সময় শরীরের যত্নের কথা ভাবেন, কিন্তু আলাদা করে চোখের স্বাস্থ্যে নজর দেন কি? কেন তা জরুরি?

Advertisement
শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৪৯
Share:

বেড়াতে যাওয়ার সময় পোশাক, প্রসাধনী, জরুরি ওষুধে নজর থাকে। কিন্তু সেই গোছগাছের মধ্যে আলাদা ভাবে চোখের জিনিসপত্র গুরুত্ব পায় কি? চোখের চিকিৎসকেরা মনে করাচ্ছেন, সামান্য ভুলত্রুটির জন্যই বেড়াতে গিয়ে চোখ নিয়ে ভুগতে হতে পারে। এই ব্যাপারে সামান্য সচেতনতাই নিরাপদ করে তুলবে সফর। কোন বিষয়গুলি মাথায় রাখা জরুরি?

Advertisement

সানগ্লাস: সানগ্লাসকে শুধু ফ্যাশনের অঙ্গ ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। বরং এটি চোখের সুরক্ষাবর্ম। বেড়াতে গেলে রাস্তাঘাটে ধুলো থাকবেই। সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি, ধুলো থেকে চোখ বাঁচাতে ভাল মানের সানগ্লাস রাখা জরুরি। তা ছাড়া, বরফের জায়গায় বেড়াতে গেলে সানগ্লাস, সোয়েটার-টুপির মতোই জরুরি। বরফের উপর রোদ প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়লে, তাকাতে অসুবিধা হবে।এতে চোখের ক্ষতিও হতে পারে। ভাল হয়, যদি ইউভি প্রোটেক্টর যুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার করা যায়।

বাড়তি চশমা: অনেকেরই চোখে প্রচুর পাওয়ার আছে। বিশেষত দূরের জিনিস দেখার সমস্যা থাকলে সঙ্গে বাড়তি চশমা রাখা খুব জরুরি। যদি কেউ নিজে গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে যান বা গাড়ি চালিয়ে ঘোরার পরিকল্পনা করেন, তা হলে গাড়িতেই অতিরিক্ত চশমা রাখুন। অসাবধানে চশমা ভেঙে যেতেই পারে। অতিরিক্ত চশমা না থাকলে দেখতে সমস্যা হবে। সে ক্ষেত্রে গোটা ট্রিপটাই নষ্ট হতে পারে।

Advertisement

কনট্যাক্ট লেন্স: যাঁরা কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদের সঙ্গে লেন্স রাখার অতিরিক্ত বাক্স এবং দ্রবণ সঙ্গে রাখা উচিত। লেন্স যদি ঠিকমতো রাখা না হয়, তা থেকেই চোখে সংক্রমণ হতে পারে। আবার ধুলোবালিও চোখে উড়ে পড়তে পারে। লেন্স থাকলে থাকলে একেবারেই চোখ ঘষাঘষি করা ঠিক নয়। এমন সময় চোখের কোনও ওষুধ দরকার হবে কি না, আগেই চক্ষু চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে পারেন। লেন্স থাকলেও সঙ্গে চশমা রাখুন। লেন্স পরতে কোনও সমস্যা হলে বা চোখে আচমকা সংক্রমণ হলে চশমা পরা অনেক বেশি নিরাপদ হবে।

চোখে হাত: চিকিৎসকেরা বার বার সতর্ক করছেন অপরিচ্ছন্ন হাত চোখে না দিতে। অনেক সময় চোখ চুলকায়। তখন প্রায় সকলেই অপরিচ্ছন্ন হাতটি দিয়ে চোখ রগড়ে ফেলেন। তা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। আবার অনেকেই দীর্ঘ যাত্রার পর জলের ঝাপটা দিয়ে মুখ-চোখ ধুয়ে নেন। জল যদি কোনও কারণে দূষিত হয়, তা থেকেও চোখের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। তাই যেখানে সেখানে, যখন-তখন জলের ঝাপটা দিয়েও চোখ ধোওয়া ঠিক নয়। সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে বা রাস্তায় থাকলে স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করার পরে চোখে হাত দিতে পারেন।

ড্রাই আইজ়: অনেকেরই হঠাৎ করে চোখ জ্বালা করে বা করকর করে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকলে বা কোনও কারণে চোখের জল শুকিয়ে গেলে এমন সমস্যা হয়। লম্বা বিমান সফরে এমন সমস্যা অনেকেরই হয়। কারণ, বিমানের আবহাওয়া অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। তাই বেড়াতে গেলেও নিয়ম করে জল খাওয়া দরকার। চোখের মাস্ক সঙ্গে রাখুন। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, ড্রাই আইজ়ের জন্য ড্রপ সঙ্গে রাখা যেতে পারে।

সুরক্ষা: চোখে অনেক পাওয়ার থাকলে স্ক্রিন টাইম কমিয়ে ফেলুন। অ্যান্টি-গ্লেয়ার লেন্স ব্যবহার করলেও স্ক্রিনের ব্লু-লাইট থেকে চোখকে কিছুটা বাঁচানো যায়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement