Sun light Benefits on Health

ব্যায়াম নয়! ওজন কমবে, হার্টও ভাল থাকবে, সকালে উঠে ৫-১০ মিনিট খরচ করলেই যথেষ্ট

রোদকে অত দূরছাই করবেন না। চিকিৎসকেরা বলছেন, যতই সানট্যান পড়ার ভয় থাকুক, রোদের কাছাকাছি আসতেই হবে। কেন জানেন?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩২
Share:

সকালের এক অভ্যাসেই লুকিয়ে সুস্থ থাকার উপায়। ছবি: এআই।

এখন বাইরে বার হলেই চোখে সানগ্লাস, মুখে সানস্ক্রিন। গরমকালে আবার এর সঙ্গে যুক্ত হয় টুপি কিংবা ছাতাও। রোদ যাতে গায়ে হাত ছোঁয়াতেও না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থাই সেরেই রাস্তায় বেরোতে হয়। কিন্তু নাহ্! রোদকে অত দূরছাই করবেন না। চিকিৎসকরা বলছেন যতই সানট্যান পড়ার ভয় থাকুক রোদের কাছাকাছি আসতেই হবে। কেন জানেন?

Advertisement

১) সকালের সূর্যরশ্মি যখন ত্বক ছুঁয়ে যায়, তখন শরীরে ভিটামিন ডি সিন্থেসিস শুরু হয়। হাড়, দাঁত ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি ভীষণ জরুরি। সূর্যের আলট্রা ভায়োলেট বিটা রশ্মি ত্বকে প্রাকৃতিক উপায় ভিটামিন ডি ৩ আর কোলেক্যালসিফেরল উৎপাদন করে। শুধুমাত্র খাবার কিন্তু শরীরে ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ করতে পারে না, এর জন্য চাই সূর্যরশ্মিও।

২) শরীরে হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে সূর্যরশ্মি। সকাল সকাল সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে এলে মেলাটোনিন হরমোন বা স্লিপ হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায় এবং এর পাশাপাশি সেরোটনিন বা হ্যাপি হরমোনের উৎপাদন বেড়ে যায়। এর ফলে শরীর চাঙ্গা লাগে, মেজাজ ভাল হয়ে যায়, মানসিক চাপ কমে। সূর্যরশ্নি শরীরে কর্টিসোল বা স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

Advertisement

৩) সূর্যরশ্মি শরীরের রক্তবাহী নালিকাগুলির মুখ উন্মুক্ত করতে সাহায্য করে, ফলে শরীরে রক্ত চলাচল ভাল হয়। শরীরে অক্সিজ়েনের চলাচলও ভাল হয়। সব মিলিয়ে হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।

৪) ওজন কমাতে চাইলেও কাজে আসতে পারে সকালের সূর্যরশ্মি। সকালের মিঠে রোদ বিপাকহার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। বিপাহহার যত বাড়বে ততই তো ওজন ঝরার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।

৫) সকাল সকাল সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে এলে একাগ্রতাও বাড়ে। কাজের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে ছোট এই অভ্যাসটি। মুড সুইং দূর করতে এবং মন ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করে এই অভ্যাসটি।

সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে আসার সঠিক নিয়ম ও পদ্ধতি:

সকালে ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে, একটু ঈযদুষ্ণ গরম জল খেয়ে হাঁটতে বেরিয়ে পড়তে পারেন। তবে খেয়াল রাখবেন, মোবাইল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করার আগে কিংবা কোনও ভারী কাজ করার আগেই কিন্তু সূর্যরশ্মির সংস্পর্শে আসতে হবে। সকাল সাড়ে ছ’টা থেকে সাড়ে আটটার মধ্যে যখন সূর্যরশ্মির তেজ কম থাকে তখন ৫ থেকে ১০ মিনিট সূর্যের সংস্পর্শে আসতে পারলেই যথেষ্ট। ইচ্ছে করলে হাঁটাহাঁটি না করে একটা জায়গায় চুপচাপ বসেও থাকতে পারেন। এ ছাড়া হালকা স্ট্রেটিং কিংবা যোগাসনও করতে পারেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement