Madhya Pradesh Ashram

উজ্জৈনের আশ্রমে ১৭ প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যু! স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের, দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাব তলব

সূত্রের খবর, গত ১৪ মাসে ওই ৮৬ শিশুর মধ্যে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের বয়স ১০ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিশ একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৮
Share:

উজ্জৈনের সেবাধাম আশ্রম। ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যপ্রদেশের উজ্জৈনের অঙ্কিত সেবাধাম আশ্রমে ১৭ প্রতিবন্ধী শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই জরুরি ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে হস্তক্ষেপ করল সে রাজ্যের হাই কোর্টের ইনদওর বেঞ্চ। কী ভাবে এই ঘটনা, তার কারণ জানতে চেয়ে রাজ্যের কাছে দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাব তলব করল আদালত।

Advertisement

সূত্রের খবর, এই মর্মে নোটিস জারি করে জবাব চাওয়া হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব, মহিলা ও শিশুকল্যাণ দফতরের কমিশনার, উজ্জৈনের জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা শিশু ও নারীকল্যাণ আধিকারিক এবং সেবাধাম আশ্রম কর্তৃপক্ষকে। সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর ৮৬ জন প্রতিবন্ধী শিশুকে ইনদওরের যুগপুরুষ আশ্রম থেকে উজ্জৈনের সেবাধাম অঙ্কিত আশ্রমে নিয়ে আসা হয়। উজ্জৈন শহর থেকে এই আশ্রমের দূরত্ব ২২ কিলোমিটার।

সূত্রের খবর, গত ১৪ মাসে ওই ৮৬ শিশুর মধ্যে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের বয়স ১০ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিশ একটি মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। কিন্তু বার বার কেন মৃত্যু হচ্ছে, এ বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মামলাটিতে জরুরি ভিত্তিতে হস্তক্ষেপ করে মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট। নির্দেশ দেয়, এই মামলাটিকে যেন জনস্বার্থ মামলা হিসাবে দেখা হয়। ইনদওরের যুগপুরুষ আশ্রমেও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়ে ৬০ জন।

Advertisement

২০২৫ সালে যে সময় যুগপুরুষ আশ্রমে শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটে, সেই সময় ইনদওরের জেলাশাসক ছিলেন আশিস সিংহ। শিশুমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে যখন হুলস্থুল চলছে, ইনদওরের তৎকালীন জেলাশাসক দাবি করেন, তিনি ৮৬ প্রতিবন্ধী শিশুকে সেবাধাম আশ্রমে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। তাঁর সেই পদক্ষেপও এখন তদন্তের আওতায়। চরক ভবন হাসপাতালে চিকিৎসক চিন্ময় চিঞ্চোলেকর জানিয়েছেন, যে সব শিশুকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল, তাদের অবস্থা শোচনীয় ছিল। তাঁর দাবি, অনেককে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। কারও অবস্থা সঙ্কটজনক ছিল। কেউ আবার চিকিৎসার সময় মারা যায়। বেশির ভাগ মৃত্যুর সঙ্গে ভয়ানক রক্তল্পতার যোগ রয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement