অ্যাভোকাডো দিয়ে বানাতে পারেন নানা রকমের পদ। ছবি: সংগৃহীত।
ধীরে ধীরে ‘ঘরের ছেলে’টি হয়ে উঠছে অ্যাভোকাডো। এককালে বিদেশি বলে মধ্যবিত্তের হেঁশেলে ঢুকত না এই ফল। এখন আর তা নয়। সুপারমার্কেট থেকে শুরু করে অনলাইন বাজার, সব জায়গাতেই অ্যাভোকাডো সহজে পাওয়া যায়। আর কারণটাও স্পষ্ট। এই ফলের ভিতরে আছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, ফাইবার আর নানা রকম ভিটামিন। তাই ওজন কমানো, ত্বকের যত্ন নেওয়া, হার্টের স্বাস্থ্যরক্ষা, পেট ভাল রাখার মতো নানা কাজে অ্যাভোকাডোর উপকারিতা টের পাওয়া যাচ্ছে এখন।
এমন এক ফল দিয়ে কেবল টোস্ট আর স্যালাড বানিয়ে সুখ হয় না। তাই অ্যাভোকাডো দিয়ে আরও রকমারি পদ বানাতে পারেন, যা স্বাস্থ্যকর হওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদুও হবে। বৈচিত্র আনুন রান্নাবান্নায়।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত ফল দিয়ে বানান নানা পদ। ছবি: সংগৃহীত
১. অ্যাভোকাডো স্মুদি: পাকা অ্যাভোকাডো, কলা আর সামান্য দুধ বা দই মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। খুব সহজে ঘন স্মুদি তৈরি হবে। অথবা অ্যাভোকাডোর সঙ্গে আমন্ডের দুধ, পালংশাক, সবুজ আপেল দিয়েও স্মুদি বানিয়ে নিতে পারেন। সকালে বা কাজের ফাঁকে শক্তি বাড়াতে এটি বেশ কার্যকরী।
২. বেক করা অ্যাভোকাডো ভাজা: গোটা ফল টুকরো টুকরো করে কেটে নিন। তার উপর আমন্ডের গুঁড়োর প্রলেপ দিন। সোনালি রং ধরা পর্যন্ত বেক করতে থাকুন। এতে মুচমুচে ভাব আসবে। আলুভাজার বদলে অ্যাভোকাডো বেক করে খেতে পারেন।
অ্যাভোকাডো ভাজা। ছবি: সংগৃহীত
৩. অ্যাভোকাডো সস: পাকা অ্যাভোকাডো ভাল করে চটকে নিয়ে তার সঙ্গে রসুন, তুলসী এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। পরিমাণ মতো নুন দিয়ে দিতে পারেন। মিহি করে মিশ্রণ বানিয়ে নিতে পারেন মিক্সার গ্রাইন্ডারের সাহায্যে। তার পর এই সস বা ডিপ যে কোনও খাবারের সঙ্গে খেতে পারেন। পাস্তা বানানোর সময়ে এই সস মিশিয়ে দিন বা গাজর-শসা কিংবা সব্জি কেটে এই মিশ্রণে মাখিয়ে খেয়ে নিন।
৪. অ্যাভোকাডো ডিমের ডেভিল: ডিমের ডেভিল বলতেই পুর ভরা ভাজা ডিম মনে হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর পদ বানাতে রান্নার মোড় ঘুরিয়ে নিতে পারেন অন্য দিকে। সেদ্ধ ডিম কেটে তার থেকে কুসুম বার করে সেই জায়গায় চটকে রাখা অ্যাভোকাডো পুরে দিন।
৫. অ্যাভোকাডো মুজ়: অ্যাভোকাডো চটকে তার সঙ্গে কোকো গুঁড়ো আর সামান্য মেপ্ল সিরাম বা মধু মিশিয়ে নিন। ভাল করে ব্লেন্ড করে নিলেই ক্রিমি এক মিষ্টি পদ তৈরি হবে। ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেতে পারেন।